মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় দিনব্যাপী রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণে মানব পাচারের ধরন, সাইবার ট্রাফিকিং, ভুক্তভোগীদের সহায়তা, ট্রমা-সংবেদনশীল যোগাযোগ এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি মানব পাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায় উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাস্তবায়নে এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহের সভাপতিত্বে এবং সংস্থাটির প্রোগ্রাম অফিসার দীপঙ্কর মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস. এম. রফিকুল ইসলাম। প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দৈনিক আমাদের সময় ও মাছরাঙা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস. এম. সোহরাব হোসেন বাবলু, আশ্বাস প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী রবিউল ইসলাম বাবু এবং কাউন্সিলর সুমাইয়া নাজনীন। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা মানব পাচার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা, ‘আশ্বাস’ প্রকল্পের কার্যক্রম,
আরও পড়ুন,নিরপরাধের হয়রানি নয়, আইনের ফাঁক গলে অপরাধীর রেহাইও নয়: চীফ ম্যাজিস্ট্রেট
সাইবার ট্রাফিকিং, সিটিআইপি অ্যাক্টিভিস্টদের ভূমিকা এবং কাউন্টার ট্রাফিকিং কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন। এ ছাড়া মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, কার্যকর নেতৃত্ব, ট্রমা-ইনফর্মড কমিউনিকেশন এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে দলীয় আলোচনার মাধ্যমে সক্রিয় কর্মী দলের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে একটি ‘সাসটেইনেবিলিটি প্ল্যান’ বা টেকসই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়। একই সঙ্গে মানব পাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণ এবং মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্রিয় কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। ফলে মানব পাচারের ঝুঁকি শনাক্তকরণ, সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের সহায়তা এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করা সম্ভব হবে। সমাপনী অধিবেশনে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের পর্যালোচনা করা হয়। প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদানের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষণের সমাপ্তি ঘোষণা করেন সাতক্ষীরা জেলা সক্রিয় কর্মী দলের সভাপতি শাফিরুল ইসলাম। উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায় রূপান্তর খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর ও ঝিনাইদহ জেলায় ‘আশ্বাস’ প্রকল্পের আওতায় মানব পাচার প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
মানব পাচার প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় দিনব্যাপী রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণে মানব পাচারের ধরন, সাইবার ট্রাফিকিং, ভুক্তভোগীদের সহায়তা, ট্রমা-সংবেদনশীল যোগাযোগ এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি মানব পাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায় উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাস্তবায়নে এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহের সভাপতিত্বে এবং সংস্থাটির প্রোগ্রাম অফিসার দীপঙ্কর মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস. এম. রফিকুল ইসলাম। প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দৈনিক আমাদের সময় ও মাছরাঙা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস. এম. সোহরাব হোসেন বাবলু, আশ্বাস প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী রবিউল ইসলাম বাবু এবং কাউন্সিলর সুমাইয়া নাজনীন। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা মানব পাচার সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা, ‘আশ্বাস’ প্রকল্পের কার্যক্রম,
আরও পড়ুন,নিরপরাধের হয়রানি নয়, আইনের ফাঁক গলে অপরাধীর রেহাইও নয়: চীফ ম্যাজিস্ট্রেট
সাইবার ট্রাফিকিং, সিটিআইপি অ্যাক্টিভিস্টদের ভূমিকা এবং কাউন্টার ট্রাফিকিং কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করেন। এ ছাড়া মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, কার্যকর নেতৃত্ব, ট্রমা-ইনফর্মড কমিউনিকেশন এবং মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে দলীয় আলোচনার মাধ্যমে সক্রিয় কর্মী দলের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে একটি ‘সাসটেইনেবিলিটি প্ল্যান’ বা টেকসই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়। একই সঙ্গে মানব পাচার প্রতিরোধে ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণ এবং মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম আরও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্রিয় কর্মীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। ফলে মানব পাচারের ঝুঁকি শনাক্তকরণ, সম্ভাব্য ভুক্তভোগীদের সহায়তা এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম জোরদার করা সম্ভব হবে। সমাপনী অধিবেশনে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের পর্যালোচনা করা হয়। প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদানের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষণের সমাপ্তি ঘোষণা করেন সাতক্ষীরা জেলা সক্রিয় কর্মী দলের সভাপতি শাফিরুল ইসলাম। উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায় রূপান্তর খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর ও ঝিনাইদহ জেলায় ‘আশ্বাস’ প্রকল্পের আওতায় মানব পাচার প্রতিরোধ এবং ভুক্তভোগীদের সহায়তায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আপনার মতামত লিখুন