দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

তেলের দাম বাড়ানোয় জনগণের কষ্ট হবে স্বীকার করলেন জাহেদ

তেলের দাম বাড়ানোয় জনগণের কষ্ট হবে স্বীকার করলেন জাহেদ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমা

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের কোনো শর্ত নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন এখানে আইএমএফের এমন কোনো শর্ত নেই। বিশ্ববাজারের অস্থিরতার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি খাতে সরকারের বড় ধরনের ভর্তুকির চাপ রয়েছে বলেও জানান তিনি।তার ভাষ্য অনুযায়ী জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকারের ভর্তুকির চাপ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সম্প্রতি সরকার ডিজেল কেরোসিন পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। নতুন দরে ডিজেল ১৩৫ টাকা কেরোসিন ১৫৫ টাকা পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।জাহেদ উর রহমান বলেন বিশ্ববাজারে গত দুই থেকে তিন দিনে জ্বালানি তেলের দাম ২ থেকে ৩ শতাংশ কমলেও অপরিশোধিত তেলের দাম এখনো ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি। 

আরও  পড়ুন, সাবেক এমপি মাহফুজুর রহমান মিতা গ্রেপ্তার

বর্তমান উচ্চমূল্য দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম হলেও বিশ্ব জ্বালানি পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে সাধারণ মানুষের কষ্ট হবে বলেও স্বীকার করেন তথ্য উপদেষ্টা। এ পরিস্থিতিতে সরকারের প্রতি জনগণের সহনশীলতা প্রত্যাশা করে তিনি প্রশ্ন তোলেন কতটা ভর্তুকি সরকারের পক্ষে দেওয়া সম্ভব।সরকারের হিসাবে লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানোর ফলে বছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে। জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারদরের কারণে বর্তমানে ডিজেলে বিপিসির লিটারপ্রতি লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা এবং দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা।এদিকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে পড়তে পারে। এরই মধ্যে বাসভাড়া সমন্বয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং জ্বালানির মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবহনভাড়া নির্ধারণের কথা আগেও জানিয়েছিলেন তথ্য উপদেষ্টা।

বিষয় : জনগণেরঐক্য তেলের দাম মুদ্রা তহবিল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬


তেলের দাম বাড়ানোয় জনগণের কষ্ট হবে স্বীকার করলেন জাহেদ

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের কোনো শর্ত নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন এখানে আইএমএফের এমন কোনো শর্ত নেই। বিশ্ববাজারের অস্থিরতার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি খাতে সরকারের বড় ধরনের ভর্তুকির চাপ রয়েছে বলেও জানান তিনি।তার ভাষ্য অনুযায়ী জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের মাধ্যমে সরকারের ভর্তুকির চাপ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সম্প্রতি সরকার ডিজেল কেরোসিন পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। নতুন দরে ডিজেল ১৩৫ টাকা কেরোসিন ১৫৫ টাকা পেট্রল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।জাহেদ উর রহমান বলেন বিশ্ববাজারে গত দুই থেকে তিন দিনে জ্বালানি তেলের দাম ২ থেকে ৩ শতাংশ কমলেও অপরিশোধিত তেলের দাম এখনো ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি। 

আরও  পড়ুন, সাবেক এমপি মাহফুজুর রহমান মিতা গ্রেপ্তার

বর্তমান উচ্চমূল্য দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম হলেও বিশ্ব জ্বালানি পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে সাধারণ মানুষের কষ্ট হবে বলেও স্বীকার করেন তথ্য উপদেষ্টা। এ পরিস্থিতিতে সরকারের প্রতি জনগণের সহনশীলতা প্রত্যাশা করে তিনি প্রশ্ন তোলেন কতটা ভর্তুকি সরকারের পক্ষে দেওয়া সম্ভব।সরকারের হিসাবে লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ানোর ফলে বছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে। জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারদরের কারণে বর্তমানে ডিজেলে বিপিসির লিটারপ্রতি লোকসান প্রায় ৮৯ টাকা এবং দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা।এদিকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে পড়তে পারে। এরই মধ্যে বাসভাড়া সমন্বয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং জ্বালানির মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবহনভাড়া নির্ধারণের কথা আগেও জানিয়েছিলেন তথ্য উপদেষ্টা।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
তেলের দাম বাড়ানোয় জনগণের কষ্ট হবে স্বীকার করলেন জাহেদ
0:00 0:00
1.0x