মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ডা. নূর মোহাম্মদ মোড়লের বাড়িসহ ১৬০ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল, বাড়িঘর ভাঙচুর, গাছ কেটে ফেলা এবং মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১১টায় শিবচর প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন ডা. নূর মোহাম্মদ মোড়লের ওয়ারিশবৃন্দ ও সচেতন এলাকাবাসী।মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, আব্দুল হাই শিকদার ও তার ছেলে মেজর ফাহিম ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের বাড়িঘর ও জমি দখলে করেছেন। তাদের দাবি, ২০২৫ সালে অন্তবর্তী সরকারের আমলে মেজর ফাহিম সেনাবাহিনীর সদস্যদের দিয়ে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রদর্শন করে তাদের সম্পত্তিতে হস্তক্ষেপ করেন। এ সময় তাদের চোখের সামনে বাড়িঘর ভেঙে ফেলা ও গাছ কেটে ফেলার অভিযোগও করেন তারা।ভুক্তভোগী সীমা আক্তার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি মহিলা মানুষ আমার স্বামী অসুস্থ দীর্ঘ ৮ মাস যাবত হাসপাতালে রয়েছে। আমি একা বাড়িতে থাকি, আমাকে অবরুদ্ধ করে তারা ভয় ভীতি প্রদর্শন করে এবং আমার চোখের সামনে আমার বাড়িঘর ভাংচুর করে গাছপালা কেটে ফেলে ও ভূমিদস্যু আব্দুল হাই শিকদার এর ছেলে মেজর ফাহিম তার ক্ষমতা বলের অপব্যবহার করে জোরপূর্বক বাড়িঘর দখল করে। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর দ্বারা নিরীহ জনসাধারণের উপর জুলুম জনমনে আতংক ছড়িয়েছে বলে জানান তিনি। সেনাবাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার যায়গাকেও প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে মেজর ফাহিম।
আরও পড়ুন, ভোগড়া বাইপাসে সড়কের গর্ত ভরাটে জিএমপি পুলিশের মানবিক উদ্যোগ
প্রতিবেশী সুমন পারভেজ জানান, আমি মেজর ফাহিমের আপন মামা। আমরা জারাই ওখানে গেছি সবাই মামলার আসামি হয়েছি কয়েকজন জেল ও খেটেছি। আমার বিরুদ্ধে ৫টা মামলা দিয়েছে মিমাংসা ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে যাওয়ায়।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, শিবচর উপজেলার ৪২ নম্বর বড় নিলখী মৌজার আর.এস. খতিয়ান নং-১১৭ এবং এস.এ. খতিয়ান নং-১৪৩৬-এর অন্তর্ভুক্ত ওই সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।তারা আরও জানান, এ সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট পিটিশনে গত ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে Rule Nisi জারি করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধটি বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা আব্দুল হাই শিকদার, মেজর ফাহিম, ফয়সাল শিদ্দিকি, তোফাজ্জেল হোসেন (তোতা) খান, রোমানা আকতার রুমি, রাজা শিকদার, মাহিম শিকদারসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে তাদের ওপর বিভিন্নভাবে বলপ্রয়োগ ও হয়রানির অভিযোগ তোলেন।ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাদের বসতবাড়ি ও সম্পত্তি রক্ষার পাশাপাশি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তারা আইনগত ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন।মানববন্ধন থেকে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সম্পত্তির অধিকার সুরক্ষা, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ডা. নূর মোহাম্মদ মোড়লের বাড়িসহ ১৬০ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল, বাড়িঘর ভাঙচুর, গাছ কেটে ফেলা এবং মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১১টায় শিবচর প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন ডা. নূর মোহাম্মদ মোড়লের ওয়ারিশবৃন্দ ও সচেতন এলাকাবাসী।মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, আব্দুল হাই শিকদার ও তার ছেলে মেজর ফাহিম ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাদের বাড়িঘর ও জমি দখলে করেছেন। তাদের দাবি, ২০২৫ সালে অন্তবর্তী সরকারের আমলে মেজর ফাহিম সেনাবাহিনীর সদস্যদের দিয়ে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রদর্শন করে তাদের সম্পত্তিতে হস্তক্ষেপ করেন। এ সময় তাদের চোখের সামনে বাড়িঘর ভেঙে ফেলা ও গাছ কেটে ফেলার অভিযোগও করেন তারা।ভুক্তভোগী সীমা আক্তার কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমি মহিলা মানুষ আমার স্বামী অসুস্থ দীর্ঘ ৮ মাস যাবত হাসপাতালে রয়েছে। আমি একা বাড়িতে থাকি, আমাকে অবরুদ্ধ করে তারা ভয় ভীতি প্রদর্শন করে এবং আমার চোখের সামনে আমার বাড়িঘর ভাংচুর করে গাছপালা কেটে ফেলে ও ভূমিদস্যু আব্দুল হাই শিকদার এর ছেলে মেজর ফাহিম তার ক্ষমতা বলের অপব্যবহার করে জোরপূর্বক বাড়িঘর দখল করে। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর দ্বারা নিরীহ জনসাধারণের উপর জুলুম জনমনে আতংক ছড়িয়েছে বলে জানান তিনি। সেনাবাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার যায়গাকেও প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে মেজর ফাহিম।
আরও পড়ুন, ভোগড়া বাইপাসে সড়কের গর্ত ভরাটে জিএমপি পুলিশের মানবিক উদ্যোগ
প্রতিবেশী সুমন পারভেজ জানান, আমি মেজর ফাহিমের আপন মামা। আমরা জারাই ওখানে গেছি সবাই মামলার আসামি হয়েছি কয়েকজন জেল ও খেটেছি। আমার বিরুদ্ধে ৫টা মামলা দিয়েছে মিমাংসা ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে যাওয়ায়।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, শিবচর উপজেলার ৪২ নম্বর বড় নিলখী মৌজার আর.এস. খতিয়ান নং-১১৭ এবং এস.এ. খতিয়ান নং-১৪৩৬-এর অন্তর্ভুক্ত ওই সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।তারা আরও জানান, এ সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট পিটিশনে গত ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে Rule Nisi জারি করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে সম্পত্তি-সংক্রান্ত বিরোধটি বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা আব্দুল হাই শিকদার, মেজর ফাহিম, ফয়সাল শিদ্দিকি, তোফাজ্জেল হোসেন (তোতা) খান, রোমানা আকতার রুমি, রাজা শিকদার, মাহিম শিকদারসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে তাদের ওপর বিভিন্নভাবে বলপ্রয়োগ ও হয়রানির অভিযোগ তোলেন।ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, তাদের বসতবাড়ি ও সম্পত্তি রক্ষার পাশাপাশি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তারা আইনগত ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন।মানববন্ধন থেকে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সম্পত্তির অধিকার সুরক্ষা, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন