খাগড়াছড়িতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে তিনদিনব্যাপী নানা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।৩ আগস্ট (সোমবার) সকালে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের পরিচালক ঞ্যো হ্লা মং-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রুমানা আক্তার।তিনদিনব্যাপী এ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে চিত্রাঙ্কন, রচনা ও নৃত্য প্রতিযোগিতা,
আরও পড়ুন, দুর্গম পাহাড়ি জনপদ ধোপাছড়িতে পৌঁছাল স্বাস্থ্যসেবা ও ত্রাণ সহায়তা
সংবাদ ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক আয়োজন।উদ্বোধনের পর অতিথিরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। এ সময় জুলাই যোদ্ধা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংস্কৃতিপ্রেমী দর্শনার্থীরা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।আয়োজকরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, চেতনা ও তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও ইতিহাসচর্চার আগ্রহ সৃষ্টি করতেই এ তিনদিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
বিষয় : তিনদিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
খাগড়াছড়িতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে তিনদিনব্যাপী নানা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।৩ আগস্ট (সোমবার) সকালে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের পরিচালক ঞ্যো হ্লা মং-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রুমানা আক্তার।তিনদিনব্যাপী এ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে চিত্রাঙ্কন, রচনা ও নৃত্য প্রতিযোগিতা,
আরও পড়ুন, দুর্গম পাহাড়ি জনপদ ধোপাছড়িতে পৌঁছাল স্বাস্থ্যসেবা ও ত্রাণ সহায়তা
সংবাদ ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক আয়োজন।উদ্বোধনের পর অতিথিরা জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। এ সময় জুলাই যোদ্ধা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সংস্কৃতিপ্রেমী দর্শনার্থীরা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন।আয়োজকরা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, চেতনা ও তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও ইতিহাসচর্চার আগ্রহ সৃষ্টি করতেই এ তিনদিনব্যাপী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন