পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় সশস্ত্র হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিন যুবক নিহত হয়েছেন।৬ জুলাই (সোমবার) বেলা আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর চেঙ্গী ইউনিয়নের দূরবর্তী মধুমঙ্গল পাড়া এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে মধুমঙ্গল পাড়া এলাকায় আকস্মিকভাবে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পানছড়ি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং অজ্ঞাত পরিচয় তিন যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। দুর্গম এলাকা হওয়ায় মরদেহগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেশ কিছুটা সময় লাগে।পানছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "সোর্সের মাধ্যমে মধুমঙ্গল পাড়ায় তিন ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়ার পরপরই সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন,নরসিংদী সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, শিক্ষার্থীদের পাশে জেলা ছাত্রদল
নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশগুলোর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।" তবে প্রাথমিকভাবে নিহতদের নাম ও পূর্ণাঙ্গ পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।এদিকে, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রেসি চাকমা নামের এক স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী দাবি করেছে, নিহতদের মধ্যে তার আপন ভাই রয়েছে। তার ভাইয়ের নাম রিয়েল চাকমা, সে উপজেলার আলীচান কার্বারী পাড়ার রূপায়ন চাকমার সন্তান। তবে পুলিশ বা দায়িত্বশীল কোনো পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।এই ঘটনার পর থেকে পানছড়ি ও এর আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। সড়ক ও আশপাশের এলাকাগুলো পুরোপুরি জনশূন্য ও নিস্তব্ধ রূপ নিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বিষয় : গুলিবিদ্ধ সশস্ত্র হামলা যুবক নিহত

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলায় সশস্ত্র হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিন যুবক নিহত হয়েছেন।৬ জুলাই (সোমবার) বেলা আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলার ২ নম্বর চেঙ্গী ইউনিয়নের দূরবর্তী মধুমঙ্গল পাড়া এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে মধুমঙ্গল পাড়া এলাকায় আকস্মিকভাবে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পানছড়ি থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং অজ্ঞাত পরিচয় তিন যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। দুর্গম এলাকা হওয়ায় মরদেহগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেশ কিছুটা সময় লাগে।পানছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "সোর্সের মাধ্যমে মধুমঙ্গল পাড়ায় তিন ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়ার পরপরই সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন,নরসিংদী সরকারি মহিলা কলেজে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, শিক্ষার্থীদের পাশে জেলা ছাত্রদল
নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশগুলোর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।" তবে প্রাথমিকভাবে নিহতদের নাম ও পূর্ণাঙ্গ পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।এদিকে, ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রেসি চাকমা নামের এক স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী দাবি করেছে, নিহতদের মধ্যে তার আপন ভাই রয়েছে। তার ভাইয়ের নাম রিয়েল চাকমা, সে উপজেলার আলীচান কার্বারী পাড়ার রূপায়ন চাকমার সন্তান। তবে পুলিশ বা দায়িত্বশীল কোনো পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।এই ঘটনার পর থেকে পানছড়ি ও এর আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানীয় দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। সড়ক ও আশপাশের এলাকাগুলো পুরোপুরি জনশূন্য ও নিস্তব্ধ রূপ নিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন