বান্দরবানের লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে জব্দ হওয়া কাঠবোঝাই দুটি গাড়িকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জব্দকৃত কাঠে একাধিকবার হ্যামার (সিল) মেরে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে সদর রেঞ্জার কবির হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।এর আগে অবৈধভাবে কাঠ পাচারের সময় রূপসীপাড়া আর্মি ক্যাম্প কাঠবোঝাই দুটি গাড়ি আটক করে লামা বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করে। পরে ঘটনাটি নিয়ে বন মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।স্থানীয় সূত্রের দাবি, জব্দকৃত কাঠের প্রকৃত পরিচয় ও উৎস গোপন করার উদ্দেশ্যে কয়েকটি কাঠে একাধিকবার হ্যামার মারা হয়েছে। একটি গাছে নয়বার পর্যন্ত হ্যামার মারার অভিযোগও উঠেছে। এতে কাঠের প্রকৃত উৎস শনাক্তে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন, রংপুরে হেরোইন, ঠাকুরগাঁওয়ে এসকাফ একদিনে র্যাবের বড় অভিযান
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে লামা সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা কবির হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “অভিযোগের তথ্য তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জব্দকৃত কাঠ ও গাড়ি দুটি যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা হোক। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
বিষয় : জব্দকৃত লোপাট বিতর্কের সৃষ্টি

শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
বান্দরবানের লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নে জব্দ হওয়া কাঠবোঝাই দুটি গাড়িকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জব্দকৃত কাঠে একাধিকবার হ্যামার (সিল) মেরে প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে সদর রেঞ্জার কবির হোসেনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।এর আগে অবৈধভাবে কাঠ পাচারের সময় রূপসীপাড়া আর্মি ক্যাম্প কাঠবোঝাই দুটি গাড়ি আটক করে লামা বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করে। পরে ঘটনাটি নিয়ে বন মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।স্থানীয় সূত্রের দাবি, জব্দকৃত কাঠের প্রকৃত পরিচয় ও উৎস গোপন করার উদ্দেশ্যে কয়েকটি কাঠে একাধিকবার হ্যামার মারা হয়েছে। একটি গাছে নয়বার পর্যন্ত হ্যামার মারার অভিযোগও উঠেছে। এতে কাঠের প্রকৃত উৎস শনাক্তে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন, রংপুরে হেরোইন, ঠাকুরগাঁওয়ে এসকাফ একদিনে র্যাবের বড় অভিযান
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে লামা সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা কবির হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে লামা বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “অভিযোগের তথ্য তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জব্দকৃত কাঠ ও গাড়ি দুটি যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করা হোক। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন