কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে ধানের গোলা থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) বিকেলে পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় কসমেটিকস, পাপড় ও প্যান্ট পিস উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বাড়িতে না থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তঘেঁষা নারায়ণপুর ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় পণ্য ও মাদক চোরাচালানের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সীমান্তের কয়েকটি অংশে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় চোরাকারবারিরা সহজেই অবৈধভাবে বিভিন্ন পণ্য দেশে এনে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন এবং কচাকাটা থানার এসআই মিন্টু মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নারায়ণপুর ইউনিয়নের ঝাউকুঠি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন, রাজবাড়ীর পাংশায় বিরল ঘটনা: গোখরার ছোবল খেয়ে জীবন্ত সাপ নিয়ে হাসপাতালে কৃষক
এ সময় মো. জহুরুল ইসলাম (পিতা: আলহাজ জালাল আলী)-এর বসতবাড়ির ধানের গোলায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই মালামাল উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় জহুরুল ইসলাম বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর আওতায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জব্দকৃত পণ্যসমূহ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “নারায়ণপুর ইউনিয়ন নদী ও চরবেষ্টিত একটি দুর্গম সীমান্ত এলাকা। ভৌগোলিক প্রতিকূলতার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত নজরদারিতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। সেই সুযোগে অসাধু চক্র সীমান্তপথে চোরাচালান কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করে। তবে চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।স্থানীয় সচেতন মহল সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান রোধে আরও জোরালো নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছে।
বিষয় : বসতবাড়ি পণ্য জব্দ বিপুল পরিমাণ

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার নারায়ণপুর ইউনিয়নের একটি বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে ধানের গোলা থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই পণ্য জব্দ করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) বিকেলে পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় কসমেটিকস, পাপড় ও প্যান্ট পিস উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বাড়িতে না থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তঘেঁষা নারায়ণপুর ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় পণ্য ও মাদক চোরাচালানের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সীমান্তের কয়েকটি অংশে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় চোরাকারবারিরা সহজেই অবৈধভাবে বিভিন্ন পণ্য দেশে এনে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন এবং কচাকাটা থানার এসআই মিন্টু মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল নারায়ণপুর ইউনিয়নের ঝাউকুঠি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
আরও পড়ুন, রাজবাড়ীর পাংশায় বিরল ঘটনা: গোখরার ছোবল খেয়ে জীবন্ত সাপ নিয়ে হাসপাতালে কৃষক
এ সময় মো. জহুরুল ইসলাম (পিতা: আলহাজ জালাল আলী)-এর বসতবাড়ির ধানের গোলায় তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই মালামাল উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় জহুরুল ইসলাম বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না। এ কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর আওতায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জব্দকৃত পণ্যসমূহ আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে উপস্থাপন করা হবে।এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “নারায়ণপুর ইউনিয়ন নদী ও চরবেষ্টিত একটি দুর্গম সীমান্ত এলাকা। ভৌগোলিক প্রতিকূলতার কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত নজরদারিতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়। সেই সুযোগে অসাধু চক্র সীমান্তপথে চোরাচালান কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করে। তবে চোরাচালান প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।স্থানীয় সচেতন মহল সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান রোধে আরও জোরালো নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন