দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করেছে সরকার। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে।২০১৫ সালের পর এটি প্রথম বড় বেতন কাঠামো সংস্কার, যা সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।নতুন কাঠামোতে বিভিন্ন গ্রেডে উল্লেখযোগ্য হারে বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বাংলাদেশে দায়িত্ব নিতে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
গ্রেড অনুযায়ী বেতন প্রায় দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
উদাহরণ হিসেবে—
গ্রেড ১-এ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা,
গ্রেড ৪-এ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা,
গ্রেড ১০-এ ১৬ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্য গ্রেডগুলোতেও অনুরূপ হারে বেতন সমন্বয় করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এই পদক্ষেপ সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তবে বাজেট বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বিশাল বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন সরকারের ব্যয়ের ওপর বড় চাপ তৈরি করতে পারে এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় চ্যালেঞ্জ বাড়াবে।
এদিকে সরকারি কর্মচারী মহলে এই ঘোষণাকে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিষয় : সরকারি চাকরিজীবী নবম পে-স্কেল ১ জুলাই

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুন ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করেছে সরকার। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে।২০১৫ সালের পর এটি প্রথম বড় বেতন কাঠামো সংস্কার, যা সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল।নতুন কাঠামোতে বিভিন্ন গ্রেডে উল্লেখযোগ্য হারে বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বাংলাদেশে দায়িত্ব নিতে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
গ্রেড অনুযায়ী বেতন প্রায় দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
উদাহরণ হিসেবে—
গ্রেড ১-এ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা,
গ্রেড ৪-এ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা,
গ্রেড ১০-এ ১৬ হাজার থেকে ৩২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্য গ্রেডগুলোতেও অনুরূপ হারে বেতন সমন্বয় করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এই পদক্ষেপ সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তবে বাজেট বিশ্লেষকরা বলছেন, এই বিশাল বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন সরকারের ব্যয়ের ওপর বড় চাপ তৈরি করতে পারে এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় চ্যালেঞ্জ বাড়াবে।
এদিকে সরকারি কর্মচারী মহলে এই ঘোষণাকে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন