জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি দিয়েছেন এক ভুক্তভোগী সাক্ষী।মঙ্গলবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। প্যানেলের অপর সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এ চলমান এই মামলায় সাক্ষী বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রামপুরার মেরাদিয়া কাঁচাবাজার এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
আরও পড়ুন , আনসার-ভিডিপির ৪৬তম জাতীয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান, কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ
তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় বিজিবি, পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালায়, এতে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন।সাক্ষী জানান, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু পরদিন রাতে তাকে জোরপূর্বক হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়।তার ভাষ্যমতে, ওই সময় হাসপাতালে এসে কিছু ব্যক্তি চিকিৎসকদের হুমকি দিয়ে বলেন—“গুলি করা হয়েছে, মরেনি, ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলুন।”পরে কোনো কাগজপত্র ছাড়াই তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও তিনি দাবি করেন।পরবর্তীতে স্থানীয় একজনের সহায়তায় তিনি নিজ খরচে ফরাজি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
আরও পড়ুন , ১ জুলাই থেকে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন, তিন ধাপে আসছে নতুন পে-স্কেল
বিষয় : হত্যাকাণ্ড ট্রাইব্যুনাল জবানবন্দি

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চাঞ্চল্যকর জবানবন্দি দিয়েছেন এক ভুক্তভোগী সাক্ষী।মঙ্গলবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। প্যানেলের অপর সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এ চলমান এই মামলায় সাক্ষী বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রামপুরার মেরাদিয়া কাঁচাবাজার এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
আরও পড়ুন , আনসার-ভিডিপির ৪৬তম জাতীয় সমাবেশে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান, কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ
তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় বিজিবি, পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালায়, এতে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন।সাক্ষী জানান, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু পরদিন রাতে তাকে জোরপূর্বক হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়।তার ভাষ্যমতে, ওই সময় হাসপাতালে এসে কিছু ব্যক্তি চিকিৎসকদের হুমকি দিয়ে বলেন—“গুলি করা হয়েছে, মরেনি, ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলুন।”পরে কোনো কাগজপত্র ছাড়াই তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও তিনি দাবি করেন।পরবর্তীতে স্থানীয় একজনের সহায়তায় তিনি নিজ খরচে ফরাজি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
আরও পড়ুন , ১ জুলাই থেকে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়ন, তিন ধাপে আসছে নতুন পে-স্কেল

আপনার মতামত লিখুন