মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ১১৯ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।দুর্নীতি দমন কমিশনের (Anti-Corruption Commission) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ সিদ্ধান্ত দেন। এর আগে গত ২৫ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন।দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আসামি ও তার সহযোগীরা সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ পান।
আরও পড়ুন , হজযাত্রায় শোকের ছায়া, ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু
নির্ধারিত ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা হলেও তারা অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন এবং বিভিন্ন ধাপে প্রায় ১১৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করা হয়।অভিযোগে আরও বলা হয়, এই অর্থ পরে বিভিন্ন মাধ্যমে হস্তান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ একাধিক আইনে মামলা করা হয়েছে।প্রসিকিউশন জানায়, আসামি জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে পারেন—এই আশঙ্কায় তাকে নতুন করে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়।উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে একাধিক মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয় এবং ধাপে ধাপে গ্রেফতার দেখানো হয়।বর্তমানে মামলার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে দুদক।
আরও পড়ুন , র্যাব সংস্কার ও নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ আসছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ১১৯ কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।দুর্নীতি দমন কমিশনের (Anti-Corruption Commission) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ সিদ্ধান্ত দেন। এর আগে গত ২৫ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন।দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আসামি ও তার সহযোগীরা সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ পান।
আরও পড়ুন , হজযাত্রায় শোকের ছায়া, ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু
নির্ধারিত ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা হলেও তারা অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন এবং বিভিন্ন ধাপে প্রায় ১১৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা অবৈধভাবে সংগ্রহ করা হয়।অভিযোগে আরও বলা হয়, এই অর্থ পরে বিভিন্ন মাধ্যমে হস্তান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে পাচার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনসহ একাধিক আইনে মামলা করা হয়েছে।প্রসিকিউশন জানায়, আসামি জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে পারেন—এই আশঙ্কায় তাকে নতুন করে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়।উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে একাধিক মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয় এবং ধাপে ধাপে গ্রেফতার দেখানো হয়।বর্তমানে মামলার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে দুদক।
আরও পড়ুন , র্যাব সংস্কার ও নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ আসছে নতুন আইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপনার মতামত লিখুন