গুম ও মানবাধিকার সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করেছে আইন মন্ত্রণালয়।রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এ দুই খসড়া নিয়ে অংশীজনদের মতামত নিতে সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।সভায় জানানো হয়, নতুন খসড়ায় গুমকে সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ফলে গুমের ঘটনা আর শুধু মানবাধিকার কমিশনের তদন্তে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ফৌজদারি আইনে বিচারও করা যাবে।
আরও পড়ুন , জয়-পলকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ সাক্ষ্যগ্রহণ
খসড়ায় শাস্তির বিধানও কঠোর করা হয়েছে। নতুন আইনে গুমের অপরাধে ন্যূনতম ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।এছাড়া থানায় মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানালে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়েরের সুযোগ রাখা হয়েছে। তদন্ত ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে এবং বিচার বিলম্বিত হলে সুপ্রিম কোর্টে ব্যাখ্যা দিতে হবে।সভায় অংশগ্রহণকারীরা গুম তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের এসআই পর্যায়ে দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানান এবং আইন দুটি নিয়ে গণশুনানির দাবি তোলেন।আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার আর একটি গুমও দেখতে চায় না এবং কার্যকর মানবাধিকার কমিশন গড়ে তুলতে চায়।
আরও পড়ুন , ঈদযাত্রায় রেলের বিশেষ পরিকল্পনা, চাঁদ দেখেই মিলবে ২৯-৩০ মের টিকিট
বিষয় : মানবাধিকার নতুন আইন কঠোর শাস্তি

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
গুম ও মানবাধিকার সংক্রান্ত বিদ্যমান অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করেছে আইন মন্ত্রণালয়।রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এ দুই খসড়া নিয়ে অংশীজনদের মতামত নিতে সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।সভায় জানানো হয়, নতুন খসড়ায় গুমকে সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ফলে গুমের ঘটনা আর শুধু মানবাধিকার কমিশনের তদন্তে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ফৌজদারি আইনে বিচারও করা যাবে।
আরও পড়ুন , জয়-পলকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় আজ সাক্ষ্যগ্রহণ
খসড়ায় শাস্তির বিধানও কঠোর করা হয়েছে। নতুন আইনে গুমের অপরাধে ন্যূনতম ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।এছাড়া থানায় মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানালে সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়েরের সুযোগ রাখা হয়েছে। তদন্ত ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে এবং বিচার বিলম্বিত হলে সুপ্রিম কোর্টে ব্যাখ্যা দিতে হবে।সভায় অংশগ্রহণকারীরা গুম তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের এসআই পর্যায়ে দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানান এবং আইন দুটি নিয়ে গণশুনানির দাবি তোলেন।আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার আর একটি গুমও দেখতে চায় না এবং কার্যকর মানবাধিকার কমিশন গড়ে তুলতে চায়।
আরও পড়ুন , ঈদযাত্রায় রেলের বিশেষ পরিকল্পনা, চাঁদ দেখেই মিলবে ২৯-৩০ মের টিকিট

আপনার মতামত লিখুন