মেহেরপুরের লিচু বাগানগুলোতে এখন ফল পরিপক্ব হওয়ার অপেক্ষা। গাছে গাছে ঝুলছে রসালো লাল লিচু, আর সেই সাথে চলছে চাষিদের স্বপ্ন—বাজারে ভালো দামে বিক্রি করে লাভের মুখ দেখা।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছর মেহেরপুরে প্রায় ৮০০ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি। গত বছর জেলায় ৬ হাজার ১১০ মেট্রিক টন লিচু উৎপাদিত হয়েছিল, যার বাজারমূল্য ছিল ৫০ কোটি টাকারও বেশি। এ বছর উৎপাদন আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।চাষিদের প্রত্যাশা, বাজারদর অনুকূলে থাকলে এবার প্রায় ৫৫ কোটি টাকার লিচু বিক্রি হতে পারে।
আরও পড়ুন , ১৪ মাস পর কবর থেকে উত্তোলন কৃষকদল নেতার মরদেহ
মেহেরপুরের লিচু বিশেষ করে তার রসালো স্বাদ ও গুণগত মানের কারণে দেশজুড়ে জনপ্রিয়। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বড় শহরে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।সদর উপজেলার চাষি আব্দুল মালেক বলেন, এবার গাছে লিচুর ফলন ভালো হয়েছে। আবহাওয়া ঠিক থাকলে লাভ ভালো হবে, তবে পরিবহন ও বাজার ব্যবস্থাপনা ঠিক না থাকলে ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।অন্যদিকে চাষি রহিম উদ্দিন জানান, উৎপাদন খরচ বেড়েছে, তবে লিচু চাষে লাভ থাকায় নতুন চাষিরাও যুক্ত হচ্ছেন।কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ করা গেলে এবার লিচুর গুণগত মান ভালো থাকবে এবং কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পাবেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও আধুনিক বাজারজাত ব্যবস্থার মাধ্যমে মেহেরপুরের লিচু অর্থনৈতিকভাবে আরও বড় সম্ভাবনার খাত হয়ে উঠতে পারে।
বিষয় : মেহেরপুর লিচু বাগান চাষিদের স্বপ্ন

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
মেহেরপুরের লিচু বাগানগুলোতে এখন ফল পরিপক্ব হওয়ার অপেক্ষা। গাছে গাছে ঝুলছে রসালো লাল লিচু, আর সেই সাথে চলছে চাষিদের স্বপ্ন—বাজারে ভালো দামে বিক্রি করে লাভের মুখ দেখা।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছর মেহেরপুরে প্রায় ৮০০ হেক্টর জমিতে লিচুর আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি। গত বছর জেলায় ৬ হাজার ১১০ মেট্রিক টন লিচু উৎপাদিত হয়েছিল, যার বাজারমূল্য ছিল ৫০ কোটি টাকারও বেশি। এ বছর উৎপাদন আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।চাষিদের প্রত্যাশা, বাজারদর অনুকূলে থাকলে এবার প্রায় ৫৫ কোটি টাকার লিচু বিক্রি হতে পারে।
আরও পড়ুন , ১৪ মাস পর কবর থেকে উত্তোলন কৃষকদল নেতার মরদেহ
মেহেরপুরের লিচু বিশেষ করে তার রসালো স্বাদ ও গুণগত মানের কারণে দেশজুড়ে জনপ্রিয়। রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন বড় শহরে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।সদর উপজেলার চাষি আব্দুল মালেক বলেন, এবার গাছে লিচুর ফলন ভালো হয়েছে। আবহাওয়া ঠিক থাকলে লাভ ভালো হবে, তবে পরিবহন ও বাজার ব্যবস্থাপনা ঠিক না থাকলে ক্ষতির ঝুঁকি থাকে।অন্যদিকে চাষি রহিম উদ্দিন জানান, উৎপাদন খরচ বেড়েছে, তবে লিচু চাষে লাভ থাকায় নতুন চাষিরাও যুক্ত হচ্ছেন।কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ করা গেলে এবার লিচুর গুণগত মান ভালো থাকবে এবং কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পাবেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকল্পিত উন্নয়ন ও আধুনিক বাজারজাত ব্যবস্থার মাধ্যমে মেহেরপুরের লিচু অর্থনৈতিকভাবে আরও বড় সম্ভাবনার খাত হয়ে উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন