রাজধানীর নয়াপল্টনে মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো চালু করা হবে, যাতে শ্রমিকরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় এবং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়।
সমাবেশে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শ্রমিকদের অধিকার উপেক্ষা করা হয়েছে। তিনি বলেন, সেই সময় অর্থনীতিকে লুটপাটের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং তারা এখনও সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পানি পায় না। এই সমস্যা সমাধানে খাল খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি কৃষক ও শ্রমিকদের উন্নয়নকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই দুই শ্রেণির মানুষের জীবনমান উন্নত করা গেলে দেশের ভাগ্যও পরিবর্তন হবে। এসময় হকারদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুধু উচ্ছেদ নয়, তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। খেটে খাওয়া মানুষ ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে—এমন মন্তব্য করেন তিনি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী নয়াপল্টন কলকারখানা

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
রাজধানীর নয়াপল্টনে মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো চালু করা হবে, যাতে শ্রমিকরা কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় এবং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়।
সমাবেশে তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শ্রমিকদের অধিকার উপেক্ষা করা হয়েছে। তিনি বলেন, সেই সময় অর্থনীতিকে লুটপাটের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং তারা এখনও সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পানি পায় না। এই সমস্যা সমাধানে খাল খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি কৃষক ও শ্রমিকদের উন্নয়নকে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এই দুই শ্রেণির মানুষের জীবনমান উন্নত করা গেলে দেশের ভাগ্যও পরিবর্তন হবে। এসময় হকারদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুধু উচ্ছেদ নয়, তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। খেটে খাওয়া মানুষ ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে—এমন মন্তব্য করেন তিনি।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আপনার মতামত লিখুন