ঝড়বৃষ্টিতে সাময়িক স্বস্তির পর আবারও তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে পড়েছে দেশ। প্রতিদিনই বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ, আর এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে ২০ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের উত্তর, পশ্চিম এবং মধ্যাঞ্চলে গরমের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আন্তর্জাতিক আবহাওয়া মডেলগুলোও একই ধরনের পূর্বাভাস দিচ্ছে। গুগল ওয়েদার, অ্যাকুওয়েদার এবং দ্য ওয়েদার চ্যানেলের তথ্য অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল থেকে তাপমাত্রা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে পারে। ঢাকায় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
আরো পড়ুন , দুই মাস পূর্তিতে সরকারের সংবাদ সম্মেলন আজ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়ে ৪ থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি গরম অনুভূত হতে পারে।গরমের কারণে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা এবং বমির মতো সমস্যা বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, জ্বর ও ত্বকের সমস্যা দেখা দিচ্ছে, আর শ্রমজীবী মানুষরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন।খোলা আকাশের নিচে কাজ করা দিনমজুর, রিকশাচালক ও নির্মাণ শ্রমিকদের আয়ও কমে যাচ্ছে। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।চিকিৎসকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত পানি পান, অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়া এবং শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ঝড়বৃষ্টিতে সাময়িক স্বস্তির পর আবারও তীব্র তাপপ্রবাহের কবলে পড়েছে দেশ। প্রতিদিনই বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ, আর এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে ২০ এপ্রিল থেকে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের উত্তর, পশ্চিম এবং মধ্যাঞ্চলে গরমের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আন্তর্জাতিক আবহাওয়া মডেলগুলোও একই ধরনের পূর্বাভাস দিচ্ছে। গুগল ওয়েদার, অ্যাকুওয়েদার এবং দ্য ওয়েদার চ্যানেলের তথ্য অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল থেকে তাপমাত্রা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে পারে। ঢাকায় তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
আরো পড়ুন , দুই মাস পূর্তিতে সরকারের সংবাদ সম্মেলন আজ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়ে ৪ থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি গরম অনুভূত হতে পারে।গরমের কারণে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা এবং বমির মতো সমস্যা বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, জ্বর ও ত্বকের সমস্যা দেখা দিচ্ছে, আর শ্রমজীবী মানুষরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন।খোলা আকাশের নিচে কাজ করা দিনমজুর, রিকশাচালক ও নির্মাণ শ্রমিকদের আয়ও কমে যাচ্ছে। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।চিকিৎসকরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত পানি পান, অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়া এবং শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন