দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার পথে তারেক রহমানের ৫ চ্যালেঞ্জ

জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার পথে তারেক রহমানের ৫ চ্যালেঞ্জ
১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে ফেরেন তারেক রহমান।

১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে ফেরেন তারেক রহমান। এর সাত সপ্তাহের মাথায় তাকে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।  বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারি ফল অনুযায়ী, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। ২০২৪ সালের স্বৈরাচারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপসারিত হওয়ার পর এটি প্রথম নির্বাচন।

আস্থা ফিরিয়ে ঐক্যবদ্ধ করা

২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশে অন্তত ১ হাজার ৪০০ লোক প্রাণ হারায়। এর আগে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে বিচারবহির্ভূতভাবে গুমের শিকার হয় সাড়ে তিন হাজার মানুষ। শেখ হাসিনার সময় যেসব প্রতিষ্ঠানে রাজনীতিকরণ হয়েছিল সেগুলোর ওপর এখন মানুষের আস্থা ফেরাতে তারেক রহমানকে কাজ করতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আছে সেনাবাহিনী, আদালত, সিভিল সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।  

আরো পড়ুন , জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নতুন ইতিহাস গোপালগঞ্জে রেকর্ড সাফল্য

বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট এর আগে ক্ষমতায় বসেছিল ২০০১ সালে। এর পরপরই আওয়ামী লীগ ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের এই দেশে ফিরে আসার পর থেকে তারেক রহমান ঐক্যের বাণী প্রচার করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিহিংসা কিছুই ফিরিয়ে আনবে না। বরং আমরা যদি এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারি, দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারি, তাহলে হয়তো ভালো কিছু পাব।’

অর্থনীতির মেরামত

আওয়ামী লীগের আমলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল দ্রুত বর্ধনশীল। জিডিপি ২০০৬ সালের ৭১ বিলিয়ন থেকে ২০২২ সালে ৪২০ বিলিয়নে পৌঁছায়। কিন্তু জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বৈষম্য ও বেকারত্বের কারণে দলটির বিরুদ্ধে জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় দলটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।

কিন্তু হাসিনার পতনের পরও মানুষের জীবনযাত্রার মানের খুব একটা উন্নতি হয়নি। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ও টাকার মান কমে যাওয়ায় সাধারণ পরিবারগুলোর প্রকৃত আয় সংকুচিত হয়েছে। প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। অথচ যুব বেকারত্বের হার বর্তমানে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ায় আমদানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়েছে। এটি জ্বালানি সরবরাহ এবং গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের উন্নয়ন করতে দুটি শক্তিধর দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করা জরুরি। একটি প্রতিবেশী দেশ ভারত, অন্যটি বাংলাদেশি পণ্যের অন্যতম শীর্ষ আমদানিকারক যুক্তরাষ্ট্র। শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কে অবনতি ঘটেছে। ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়াটা এই উত্তেজনার সবশেষ উদাহরণ। বাংলাদেশও আইপিএল সম্প্রচার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  

কিন্তু এখনও বিএনপির সঙ্গে ভারতের কাজ করার আগ্রহের কিছু ইঙ্গিত আছে। গত ডিসেম্বরে ঢাকা সফরের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পরাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তবে তিস্তা নদীসহ বেশ কিছু অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে বিতর্ক রয়ে গেছে। কারণ, বিএনপি ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘ ওয়াটার কনভেনশনে স্বাক্ষরের মাধ্যমে ‘পানির ন্যায্য হিস্যা দাবি’ করে আসছে।

ইসলামপন্থীদের উত্থান সামলানো

বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে আসন প্রাপ্তির সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির গঠনতন্ত্রে শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য থাকলেও কট্টরপন্থী অবস্থান কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে। এখন তারা সামাজিক কল্যাণ ও নিজেদেরকে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী’ হিসেবে প্রচারের ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। কিন্তু সমালোচকরা মনে করেন, ‘স্বভাব কখনও বদলায় না’। নারীদের নিয়ে দলটির আমির শফিকুর রহমানের মন্তব্য মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। 

জামায়াত এক সময় বিএনপির নির্বাচনি জোট সঙ্গী ছিল। এবার জাতীয়তাবাদী দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, দেশ পরিচালনায় ইসলামপন্থীদের প্রভাব সীমিত থাকবে। কিন্তু ভবিষ্যতের রাজনীতিতে জামায়াত একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবেই থাকবে। এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান বলেছেন, ‘বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য সব দলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা জরুরি।’

শিক্ষার্থীদের জন্য বার্তা

শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়েছিল চাকরিতে কোটা বৈষম্য ঘিরে। তারা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিল। কিন্তু ছাত্র নেতাদের গঠন করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতের নির্বাচনী জোট সঙ্গী হওয়ায় অনেক নারী ও সংখ্যালঘু সদস্য মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আন্দোলনকারী ছাত্রদের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী আধিপত্য অনেক তরুণকে হতাশ করেছে। বিশেষ করে জুলাই বিপ্লবের সময় সামনের সারিতে থাকা নারীরা সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যাপকভাবে অবহেলিত হয়েছেন।

বিষয় : ৫ চ্যালেঞ্জ সক্রিয় বিচারবহির্ভূতভাব

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার পথে তারেক রহমানের ৫ চ্যালেঞ্জ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে ফেরেন তারেক রহমান। এর সাত সপ্তাহের মাথায় তাকে দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।  বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারি ফল অনুযায়ী, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। ২০২৪ সালের স্বৈরাচারী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপসারিত হওয়ার পর এটি প্রথম নির্বাচন।

আস্থা ফিরিয়ে ঐক্যবদ্ধ করা

২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশে অন্তত ১ হাজার ৪০০ লোক প্রাণ হারায়। এর আগে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে বিচারবহির্ভূতভাবে গুমের শিকার হয় সাড়ে তিন হাজার মানুষ। শেখ হাসিনার সময় যেসব প্রতিষ্ঠানে রাজনীতিকরণ হয়েছিল সেগুলোর ওপর এখন মানুষের আস্থা ফেরাতে তারেক রহমানকে কাজ করতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আছে সেনাবাহিনী, আদালত, সিভিল সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।  

আরো পড়ুন , জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নতুন ইতিহাস গোপালগঞ্জে রেকর্ড সাফল্য

বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট এর আগে ক্ষমতায় বসেছিল ২০০১ সালে। এর পরপরই আওয়ামী লীগ ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্য করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল। ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের এই দেশে ফিরে আসার পর থেকে তারেক রহমান ঐক্যের বাণী প্রচার করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রতিহিংসা কিছুই ফিরিয়ে আনবে না। বরং আমরা যদি এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারি, দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারি, তাহলে হয়তো ভালো কিছু পাব।’

অর্থনীতির মেরামত

আওয়ামী লীগের আমলে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল দ্রুত বর্ধনশীল। জিডিপি ২০০৬ সালের ৭১ বিলিয়ন থেকে ২০২২ সালে ৪২০ বিলিয়নে পৌঁছায়। কিন্তু জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বৈষম্য ও বেকারত্বের কারণে দলটির বিরুদ্ধে জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় দলটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি।

কিন্তু হাসিনার পতনের পরও মানুষের জীবনযাত্রার মানের খুব একটা উন্নতি হয়নি। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ও টাকার মান কমে যাওয়ায় সাধারণ পরিবারগুলোর প্রকৃত আয় সংকুচিত হয়েছে। প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। অথচ যুব বেকারত্বের হার বর্তমানে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়ায় আমদানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়েছে। এটি জ্বালানি সরবরাহ এবং গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের উন্নয়ন করতে দুটি শক্তিধর দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করা জরুরি। একটি প্রতিবেশী দেশ ভারত, অন্যটি বাংলাদেশি পণ্যের অন্যতম শীর্ষ আমদানিকারক যুক্তরাষ্ট্র। শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কে অবনতি ঘটেছে। ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়াটা এই উত্তেজনার সবশেষ উদাহরণ। বাংলাদেশও আইপিএল সম্প্রচার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  

কিন্তু এখনও বিএনপির সঙ্গে ভারতের কাজ করার আগ্রহের কিছু ইঙ্গিত আছে। গত ডিসেম্বরে ঢাকা সফরের সময় তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পরাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তবে তিস্তা নদীসহ বেশ কিছু অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে বিতর্ক রয়ে গেছে। কারণ, বিএনপি ১৯৯৭ সালের জাতিসংঘ ওয়াটার কনভেনশনে স্বাক্ষরের মাধ্যমে ‘পানির ন্যায্য হিস্যা দাবি’ করে আসছে।

ইসলামপন্থীদের উত্থান সামলানো

বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে আসন প্রাপ্তির সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির গঠনতন্ত্রে শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য থাকলেও কট্টরপন্থী অবস্থান কিছুটা কমিয়ে আনা হয়েছে। এখন তারা সামাজিক কল্যাণ ও নিজেদেরকে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী’ হিসেবে প্রচারের ওপর বেশি জোর দিচ্ছে। কিন্তু সমালোচকরা মনে করেন, ‘স্বভাব কখনও বদলায় না’। নারীদের নিয়ে দলটির আমির শফিকুর রহমানের মন্তব্য মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। 

জামায়াত এক সময় বিএনপির নির্বাচনি জোট সঙ্গী ছিল। এবার জাতীয়তাবাদী দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, দেশ পরিচালনায় ইসলামপন্থীদের প্রভাব সীমিত থাকবে। কিন্তু ভবিষ্যতের রাজনীতিতে জামায়াত একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবেই থাকবে। এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান বলেছেন, ‘বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য সব দলের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা জরুরি।’

শিক্ষার্থীদের জন্য বার্তা

শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়েছিল চাকরিতে কোটা বৈষম্য ঘিরে। তারা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিল। কিন্তু ছাত্র নেতাদের গঠন করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতের নির্বাচনী জোট সঙ্গী হওয়ায় অনেক নারী ও সংখ্যালঘু সদস্য মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে আন্দোলনকারী ছাত্রদের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছে। বর্তমানে প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী আধিপত্য অনেক তরুণকে হতাশ করেছে। বিশেষ করে জুলাই বিপ্লবের সময় সামনের সারিতে থাকা নারীরা সংস্কার প্রক্রিয়ায় ব্যাপকভাবে অবহেলিত হয়েছেন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত