দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে শুক্রবার সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ—পিজিসিবির পাওয়ার সিস্টেমের পূর্বাভাসে এমন তথ্য উঠে এসেছে।পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে বিদ্যুতের চাহিদা সবচেয়ে বেশি হতে পারে। রাত ১১টায় চাহিদা দাঁড়াতে পারে ১৭ হাজার ১৪০ মেগাওয়াটে। বিপরীতে উৎপাদনের পূর্বাভাস রয়েছে ১৪ হাজার ৩১৭ মেগাওয়াট। ফলে ওই সময়ে দিনের সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।পূর্বাভাস বলছে, দুপুরের পর থেকেই বিদ্যুৎ ঘাটতি বাড়তে পারে। দুপুর ১২টায় ৩৬৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১টায় ১ হাজার ১৪১ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। বিকাল ৩টায় ৯৪১, ৪টায় ৭৩৮ এবং ৫টায় ৫২৭ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে।আরও পড়ুন, দক্ষতা উন্নয়নে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন অংশীদারিত্বসন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ২৬৮ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পর সন্ধ্যা ৭টায় তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ১ হাজার ৮ মেগাওয়াটে।রাত সাড়ে ৭টায় লোডশেডিং হতে পারে ১ হাজার ৭০৪ মেগাওয়াট এবং রাত ৮টায় ১ হাজার ৭৪৪ মেগাওয়াট।এরপর রাত ৯টায় ঘাটতি বেড়ে ২ হাজার ১৩৩ মেগাওয়াট এবং রাত ১০টায় ২ হাজার ১৬ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।সবশেষে রাত ১১টায় দিনের সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।চলতি আগস্টেও দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে বড় ধরনের ঘাটতির চিত্র দেখা গেছে। বিভিন্ন সময়ে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিংয়ের তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।