যে বুড়িগঙ্গায় সাঁতার কেটেছি, সেই নদী আজ মৃত্যুর মুখে
একসময় বুড়িগঙ্গার স্বচ্ছ পানিতে সাঁতার কেটেছেন পুরান ঢাকার শিশুরা। সেই নদীর পানি পান করত দুই তীরের মানুষ। আজ সেই বুড়িগঙ্গা দখল, দূষণ আর বর্জ্যে মৃতপ্রায়। ব্যক্তিগত স্মৃতির ভেতর দিয়ে উঠে এসেছে একটি নদী হারানোর দীর্ঘ ইতিহাস।জিন্দাবাহার, সদরঘাট, গেণ্ডারিয়া, ধোলাইখাল—পুরান ঢাকার সেই নদীকেন্দ্রিক জীবন এখন কেবল স্মৃতিতে। যেখানে ছিল খেয়ানৌকা, মহাজনি নৌকা, স্বচ্ছ পানি আর নদীর বাতাস, সেখানে এখন কালো বর্জ্য, দুর্গন্ধ আর দখল।একসময় মানুষ কলসি ভরে বুড়িগঙ্গার পানি নিয়ে যেত। আরও পড়ুন, পল্লবীতে চায়ের দোকানে গুলিবর্ষণ: বিএনপি নেতা ও পথচারী নারী আহতবর্ষায় ধোলাইখালে নৌকা চলত, শিশুরা সাঁতার কাটত। কিন্তু গত কয়েক দশকে পরিকল্পিত দখল, শিল্পবর্জ্য এবং অব্যবস্থাপনায় নদীটি তার প্রাণ হারিয়েছে।নদী গবেষকদের মতে, বুড়িগঙ্গার একটি বড় অংশ কার্যত মৃত। সীমানা পিলার, নাব্যতা ও নদীর দৈর্ঘ্য নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও দৃশ্যমান উন্নতি খুবই সীমিত।ফিচারটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা উঠে এসেছে—‘বুড়িগঙ্গা বাঁচাও, নইলে আমরাই বাঁচব না।’ কারণ নদী শুধু পানি নয়, একটি শহরের জীবন, ইতিহাস ও ভবিষ্যৎ।