দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

দীর্ঘদিন পর হোটেল-রিসোর্টে শতভাগ বুকিং, উপচে পড়া ভিড়

শারদীয় দুর্গাপূজা এবং মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমার টানা ছুটিতে পর্যটকদের ঢলে মুখরিত হয়ে উঠেছে পাহাড়ি জেলা বান্দরবান। পাহাড়ের বুক চিরে মেঘের খেলা, আঁকাবাঁকা পথ, সবুজ প্রকৃতি ও ঝরনার রূপ উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বান্দরবানে ছুটে আসছেন হাজার হাজার ভ্রমণপ্রেমী। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল থেকেই নীলাচল, মেঘলা, চিম্বুক, নীলগিরি ও প্রান্তিক লেকের পাশাপাশি থানচি, রুমা, রোয়াংছড়ি ও আলীকদমের মতো দুর্গম এলাকার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখা গেছে। চাঁদের গাড়ির স্টেশন, রেস্তোরাঁ এবং রিসোর্টগুলোতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়ে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে স্থানীয় পর্যটনকেন্দ্রিক অর্থনীতিতে। আরোও পড়ুন,ণভোটের রায় উপেক্ষা করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না: এমপি আব্দুল খালেক দীর্ঘদিন ধরে করোনা মহামারি, নিরাপত্তাজনিত কারণে যৌথ অভিযান ও ভ্রমণ বিধিনিষেধের কারণে বান্দরবানের পর্যটন খাত চরম মন্দার মুখে পড়েছিল। তবে এবারের টানা ছুটি ঘিরে শহর ও উপজেলা পর্যায়ের প্রায় ২৫০টি হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টে প্রায় শতভাগ রুম বুকিং সম্পন্ন হয়েছে। পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, এই ছুটিকে কেন্দ্র করে থাকার ব্যবস্থা, পরিবহন, খাবার ও স্থানীয় পণ্য কেনাবেচা মিলিয়ে জেলায় প্রায় ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার ব্যবসা হতে পারে। জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এই টানা ছুটি কেবল শহরের ব্যবসায়ীদেরই নয়, বরং দুর্গম এলাকার গাইড, নৌকার মাঝি ও ছোট কটেজ মালিকদের মুখেও হাসি ফুটিয়েছে। 

দীর্ঘদিন পর হোটেল-রিসোর্টে শতভাগ বুকিং, উপচে পড়া ভিড়