৭১ দিনে দেশে এলো ৬৭৩ কোটি ডলার প্রবাস আয়
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। অর্থবছরের প্রথম ৭১ দিনে দেশে এসেছে ৬৭৩ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ৯৫ কোটি ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৬৭৩ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে।গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে দেশে এসেছিল ৫৭৮ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে।সেপ্টেম্বরেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম আট দিনে দেশে এসেছে ৯০ কোটি ৪০ লাখ ডলার। গত বছরের সেপ্টেম্বরের একই সময়ে এসেছিল ৮৮ কোটি ১০ লাখ ডলার। সে হিসাবে চলতি মাসের প্রথম আট দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ৮ সেপ্টেম্বর এক দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৩ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার।আরও পড়ুন, কাঁচামাল ও জ্বালানি সংকটে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বেকারি পণ্যের দাম বাড়ছে ২০ শতাংশপ্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার জোগান বাড়ানোর পাশাপাশি রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য এবং সামগ্রিক বহিঃখাতের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতেও রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেপ্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা দিচ্ছে। অর্থবছরের প্রথম ৭১ দিনেই ৬৭৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ। সেপ্টেম্বরেও এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকায় বৈদেশিক মুদ্রার বাজার ও রিজার্ভে এর প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।অর্থনীতিবিদদের দৃষ্টিতে, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবাহ বাড়লে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার জোগান আরও শক্তিশালী হতে পারে। এতে আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য এবং রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সুযোগ তৈরি হয়।সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের শুরুতে প্রবাসী আয়ের এই প্রবৃদ্ধি দেশের বহিঃখাতের জন্য ইতিবাচক একটি সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭১ দিনে ৬৭৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ। সেপ্টেম্বরেও রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকে কি না, এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।