ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গভীর রাতে দরজা ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে গেছে ১০ থেকে ১৫ জনের একটি ডাকাত দল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোররাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও দক্ষিণপাড়ার প্রয়াত আব্দুল মতিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ওই বাড়ির মালয়েশিয়াপ্রবাসী রমজান ও ওয়াসিমের পরিবারের সদস্যরা ডাকাতির শিকার হন।ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাকাত দলের সদস্যরা বাড়িতে প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখায়। পরে প্রবাসীদের স্ত্রী ও সন্তানদের হাত-পা বেঁধে ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়।আরও পড়ুন, পেনাল্টি শুটআউট নিয়ে বিরোধ, পাবনার বেড়ায় সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগ এ সময় বাড়িতে হেলাল মিয়া, ওসমান ও দুলাল মিয়াসহ পরিবারের সদস্যরা ছিলেন।ওসমান মিয়া প্রবাস থেকে ছুটিতে আসছেন, আর দুলাল মিয়া কালতা স্কুলে দপ্তরি পদে কর্মরত বলে জানা গেছে।ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ডাকাতেরা মোট চারটি মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার এবং নগদ প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। তবে লুট হওয়া স্বর্ণালংকারের আর্থিকপরিমাণ প্রায় ৬ থেকে ৭ লাখ টাকার মূল্য জানা যায়।এ ঘটনায় নোয়াগাঁওসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ডাকাতির সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বেড়েছে।খবর পেয়ে কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।কসবা থানা পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এ ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।