লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিক্রি না হওয়ায় দেড় শতাধিক কোরবানির পশুর চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।আরও পড়ুন, ঈদের ছুটিতে চট্টগ্রামের পর্যটনকেন্দ্রে জনস্রোতশুক্রবার বিকেলে উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের রামনগর মাদিনাতুল উলুম দাখিল মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতি বছরের মতো এবারও কোরবানির ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন বাড়ি থেকে পশুর চামড়া সংগ্রহ করা হয়। শ্রমিক নিয়োগ ও গাড়ি ভাড়া করে প্রায় ১৫০টির বেশি চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছিল। তবে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়া এবং পাইকারি ক্রেতা না থাকায় চামড়াগুলো বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও কোনো আড়তদার না পাওয়ায় চামড়া সংরক্ষণে জটিলতা তৈরি হয়। পরে দুর্গন্ধ ছড়ানো ও পচে যাওয়ার আশঙ্কায় সেগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।আরও পড়ুন, তেলবাহী ট্রেন দুর্ঘটনায় সিলেটের রেল চলাচল বন্ধমাদরাসা পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠানের ফান্ড থেকে টাকা খরচ করে চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু বিক্রির সুযোগ না থাকায় বাধ্য হয়েই চামড়াগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলতে হয়েছে। এতে মাদরাসার বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছরই চামড়া সংরক্ষণ ও বিপণনে দুর্বলতা থাকায় এমন সংকট তৈরি হয়। যথাযথ বাজার ব্যবস্থাপনা ও দ্রুত সংগ্রহ প্রক্রিয়া নিশ্চিত না হওয়ায় কোরবানির গুরুত্বপূর্ণ এই সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।আরও পড়ুন, ঈদে গ্রামে এসে নদীতে গোসল, ফিরল দুই কিশোরের মরদেহএদিকে, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা জানিয়েছেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তিনি বলেন, চামড়া সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকার কথা, তবুও কেন এমন হলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে—চামড়া শিল্পের সম্ভাবনাময় খাতে বারবার এমন ক্ষতি কেন? আর এর দায় নেবে কে?
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।