ভূমিসেবায় শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, এমপি। তিনি বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য একটি আধুনিক, হয়রানিমুক্ত ও জনবান্ধব ভূমিসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। রোববার রাজধানীর ৭১ পুরানা পল্টনে ‘নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্র-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ভূমি ভবনে অবস্থিত প্রথম নাগরিক ভূমিসেবা কেন্দ্রের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় নতুন এই কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে বিনামূল্যে দ্রুত ভূমিসেবা সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভূমি একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। ভূমির অধিকার রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়া প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার। অতীতে ভূমিসেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে নানা জটিলতা ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একটি জমির সেবা পেতে বছরের পর বছর ভূমি অফিসে ঘুরতে হয়েছে। বর্তমান সরকার এসব ভোগান্তি দূর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, ভূমিসেবাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকার কাজ করছে। আরও পড়ুন,সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে চার্জশিটের অনুমোদন দিল দুদকনতুন এই কেন্দ্রে নাগরিকেরা খতিয়ান, নামজারি এবং ভূমি উন্নয়ন করসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ পাবেন। সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধে কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর উপস্থিতি বরদাশত করা হবে না বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় ভূমিসেবার পুরোনো ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে সেবাকে আরও জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী। তিনি ভূমিসেবায় প্রযুক্তিগত অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। নতুন এই কেন্দ্র চালুর ফলে ভূমিসেবা গ্রহণ আরও সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।