চট্টগ্রামের খাল দখলমুক্তে কঠোর অবস্থানে চসিক
চট্টগ্রাম নগরের খাল ও ছড়া দখল করে রাখা অবৈধ দখলদারদের স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, কেউ স্বেচ্ছায় দখল না ছাড়লে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বুধবার সকালে নগরের দক্ষিণ পাহাড়তলী এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডে ঢুলুনিয়া ঢালা ছড়া, খাগড়িয়া ছড়া এবং খোশাল শাহ ছড়া পরিদর্শন ও পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।মেয়র বলেন, খাল ও ছড়াগুলো নগরবাসীর সম্পদ। কিন্তু দখল ও দূষণের কারণে এসব জলাধারের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ফলে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। যারা খাল-ছড়া দখল করে রেখেছেন, তাদের দ্রুত অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, অনেক জায়গায় খালের ওপর স্থাপিত স্ল্যাব ও বিভিন্ন অবকাঠামো পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব আরো পড়ুন , দাম না পেয়ে ক্ষোভ ও অভিমানে নিজের উৎপাদিত পেঁয়াজ পানিতে ফেললেন রাজবাড়ীর কৃষকসমস্যা চিহ্নিত করে পুরো খাল পরিষ্কার ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওয়ার্ডভিত্তিক জলাবদ্ধতার কারণ শনাক্ত করে পরিকল্পিতভাবে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।চসিক মেয়র আরও বলেন, নগরের ৪০টি খালের উন্নয়ন পরিকল্পনা বা ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে। এর আওতায় খাগড়িয়া ছড়া, খোশাল শাহ ছড়াসহ গুরুত্বপূর্ণ জলাধারগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পরিকল্পনায় খালের গভীরতা বৃদ্ধি, রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং আধুনিক ওয়াকওয়ে নির্মাণের বিষয়ও রয়েছে।তিনি বলেন, হালদা নদী রক্ষা করতে হলে এর সঙ্গে সংযুক্ত খাল-ছড়াগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় অনেক খাল ও ছড়া নাব্যতা হারিয়েছে। ধাপে ধাপে এসব জলপথ পুনরুদ্ধার করে নগরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে চসিক।এ সময় চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।