দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

ছয় মাসে রপ্তানি ৮.৬৪ বিলিয়ন ইউরো, জুনে অবশ্য সামান্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৬ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এ সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে ৮ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক রপ্তানি হয়েছে।ইইউর সামগ্রিক পোশাক আমদানির বাজার সংকুচিত হওয়ার মধ্যেই বাংলাদেশের রপ্তানিতে এই পতন হয়েছে। তবে ইইউর মোট আমদানি কমার তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি কমেছে প্রায় দ্বিগুণ হারে।ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের (বিএভি) প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন রুবেল জানান, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ৮ দশমিক ২২ শতাংশ এবং গড় রপ্তানি মূল্য ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ কমেছে।তবে জুনে কিছুটা ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। ওই মাসে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ইউরো হয়েছে। এ সময়ে রপ্তানির পরিমাণ ৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ বাড়লেও গড় রপ্তানি মূল্য কমেছে ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ।আরও  পড়ুন, ফল আমদানিতে বড় স্বস্তি, ১০০% নগদ মার্জিনের শর্ত প্রত্যাহারসামগ্রিকভাবে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইইউ ৪১ দশমিক ১০ বিলিয়ন ইউরোর পোশাক আমদানি করেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এ আমদানি ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ কম। আমদানির পরিমাণ কমেছে ৬ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং গড় ইউনিট মূল্য কমেছে ৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ।বিশ্লেষকদের মতে, ইইউজুড়ে ভোক্তাদের দুর্বল চাহিদা এবং পোশাকের দাম কমে যাওয়ায় সামগ্রিক আমদানির বাজার সংকুচিত হয়েছে। তবে বাজার সংকোচনের তুলনায় বাংলাদেশের রপ্তানি কমে যাওয়ার হার বেশি হওয়ায় দেশের পোশাক খাতের জন্য এটি বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।ইইউর বাজারে বাংলাদেশের পাশাপাশি অধিকাংশ প্রধান পোশাক রপ্তানিকারক দেশের রপ্তানিও কমেছে। তুরস্কের রপ্তানি ১৪ দশমিক ৬০ শতাংশ, পাকিস্তানের ১২ দশমিক ৫৩ শতাংশ, ভারতের ১২ দশমিক ৪৯ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ১১ দশমিক ২১ শতাংশ, চীনের ৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং কম্বোডিয়ার ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমেছে।

ছয় মাসে রপ্তানি ৮.৬৪ বিলিয়ন ইউরো, জুনে অবশ্য সামান্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে