খুলনা নগরীর লবণচরা থানার জিন্নাহপাড়া এলাকায় বাসার সামনে খুশি বেগম (২৪) নামের এক গৃহবধূকে গুলি করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জিন্নাহপাড়ার ৭ নম্বর রোডের টাওয়ার গলির সামনে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত খুশি বেগম ওই এলাকার খোকনের মেয়ে এবং সুমন হাওলাদার ওরফে ব্লেড বাবুর স্ত্রী। তাঁর একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে। নিহতের মায়ের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যায় বাজার করে রিকশায় করে বাসার সামনে নামার পরপরই মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত তাদের পথরোধ করে। তাদের একজন নিজেদের ‘মিরাজ’ পরিচয় দিয়ে খুশির স্বামী বাবুর whereabouts বা অবস্থান জানতে চায়। খুশি এ বিষয়ে কিছু জানে না বলার সাথে সাথেই হামলাকারীদের একজন তাকে প্রথমে গুলি করে এবং অপরজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,
আরোও পড়ুন,কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ জন গ্রেপ্তার
মাথা ও শরীরে একাধিকবার গুলি এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানিয়েছেন, মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। নিহতের স্বামী সুমন সরদার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে। উল্লেখ্য, একই দিনে ভোরে নগরীর পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে তুষার নামের আরেক ব্যক্তি নিহত হন, যিনি শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং যার বিরুদ্ধেও অস্ত্র ও মাদক মামলা রয়েছে। একদিনে দুটি হত্যাকাণ্ডে খুলনাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
খুলনা নগরীর লবণচরা থানার জিন্নাহপাড়া এলাকায় বাসার সামনে খুশি বেগম (২৪) নামের এক গৃহবধূকে গুলি করে ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জিন্নাহপাড়ার ৭ নম্বর রোডের টাওয়ার গলির সামনে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত খুশি বেগম ওই এলাকার খোকনের মেয়ে এবং সুমন হাওলাদার ওরফে ব্লেড বাবুর স্ত্রী। তাঁর একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে। নিহতের মায়ের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ধ্যায় বাজার করে রিকশায় করে বাসার সামনে নামার পরপরই মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত তাদের পথরোধ করে। তাদের একজন নিজেদের ‘মিরাজ’ পরিচয় দিয়ে খুশির স্বামী বাবুর whereabouts বা অবস্থান জানতে চায়। খুশি এ বিষয়ে কিছু জানে না বলার সাথে সাথেই হামলাকারীদের একজন তাকে প্রথমে গুলি করে এবং অপরজন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,
আরোও পড়ুন,কক্সবাজারে সদর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ জন গ্রেপ্তার
মাথা ও শরীরে একাধিকবার গুলি এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মোশারেফ হোসেন জানিয়েছেন, মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। নিহতের স্বামী সুমন সরদার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে। উল্লেখ্য, একই দিনে ভোরে নগরীর পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে তুষার নামের আরেক ব্যক্তি নিহত হন, যিনি শীর্ষ সন্ত্রাসী পলাশ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং যার বিরুদ্ধেও অস্ত্র ও মাদক মামলা রয়েছে। একদিনে দুটি হত্যাকাণ্ডে খুলনাজুড়ে চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন