গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই সনদ কার্যকর এবং সরকারি কর্মকাণ্ডে দলীয়করণ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি বলেছেন, জনগণের রায় উপেক্ষা করে কোনো সরকারই দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারকে জনগণের প্রত্যাশার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সাতক্ষীরার আল-আমিন ট্রাস্টের হলরুমে সাতক্ষীরা পৌর ও সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, দেশে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য এবং সারের সংকট সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সাতক্ষীরার বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, জেলার ৭৮টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভায় সারের ডিলার নিয়োগে দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন কমিটিতে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের উপেক্ষা করে দলীয় ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ তোলেন জামায়াতের এই নেতা। সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন,
আরোও পড়ুন,লক্ষ্মীপুরে র্যাবের অভিযানে যুবলীগ নেতা মিনহাজুল আবেদিন কনক আটক
গত সাত-আট মাসে বিরোধী দল গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে লংমার্চসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। তাঁর অভিযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার জনগণের স্বার্থকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে গৃহীত সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব বাস্তবায়নে সংসদে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ যে মতামত দিয়েছে, তার প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানান তিনি। সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে আলোচনার পথ খোলা রাখা জরুরি। জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। তাই সরকারকে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টি

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই সনদ কার্যকর এবং সরকারি কর্মকাণ্ডে দলীয়করণ বন্ধের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি বলেছেন, জনগণের রায় উপেক্ষা করে কোনো সরকারই দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারকে জনগণের প্রত্যাশার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সাতক্ষীরার আল-আমিন ট্রাস্টের হলরুমে সাতক্ষীরা পৌর ও সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আগামী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ সফল করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়। মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, দেশে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য এবং সারের সংকট সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলেছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সাতক্ষীরার বিভিন্ন সরকারি কার্যক্রমের প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, জেলার ৭৮টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভায় সারের ডিলার নিয়োগে দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এসব নিয়োগকে কেন্দ্র করে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ গণমাধ্যমে এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি বিভিন্ন কমিটিতে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের উপেক্ষা করে দলীয় ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ তোলেন জামায়াতের এই নেতা। সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন,
আরোও পড়ুন,লক্ষ্মীপুরে র্যাবের অভিযানে যুবলীগ নেতা মিনহাজুল আবেদিন কনক আটক
গত সাত-আট মাসে বিরোধী দল গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে লংমার্চসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। তাঁর অভিযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকার জনগণের স্বার্থকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে গৃহীত সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব বাস্তবায়নে সংসদে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জনগণ যে মতামত দিয়েছে, তার প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানান তিনি। সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে আলোচনার পথ খোলা রাখা জরুরি। জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। তাই সরকারকে জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে আগামী ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-ঝিনাইদহ-কুষ্টি

আপনার মতামত লিখুন