নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মা ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচালিত অভিযানে ১ লাখ ২৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা মাছ স্থানীয় একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় অভিযানটি চালানো হয়।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)
আরও পড়ুন,কসবায় ‘মহানগর প্রভাতী’র নতুন যাত্রাবিরতি: স্টেশনে উৎসুক জনতার ঢল
মো. মামুন সরকার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তারের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে নদী থেকে অবৈধ কারেন্ট জালগুলো জব্দ করা হয়। পরে জনসম্মুখে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।অভিযান সম্পর্কে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন সরকার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ইলিশের বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করা গেলে এর সুফল স্থানীয় জেলেসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষ পাবেন। তাই মা ইলিশ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অবৈধভাবে মাছ শিকারের তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মা ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা ও ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচালিত অভিযানে ১ লাখ ২৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫ কেজি ইলিশ মাছ উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা মাছ স্থানীয় একটি এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ‘ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় অভিযানটি চালানো হয়।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)
আরও পড়ুন,কসবায় ‘মহানগর প্রভাতী’র নতুন যাত্রাবিরতি: স্টেশনে উৎসুক জনতার ঢল
মো. মামুন সরকার ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তারের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে নদী থেকে অবৈধ কারেন্ট জালগুলো জব্দ করা হয়। পরে জনসম্মুখে জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।অভিযান সম্পর্কে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন সরকার বলেন, জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, ইলিশের বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করা গেলে এর সুফল স্থানীয় জেলেসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষ পাবেন। তাই মা ইলিশ সংরক্ষণে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি অবৈধভাবে মাছ শিকারের তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন