জলাতঙ্ক নির্মূল কর্মসূচির আওতায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডে বেওয়ারিশ ও পোষা কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আজ (সোমবার) সকাল ১১টায় নগরীর মির্জা জাঙ্গাল এলাকার জেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব। নগরীর বিভিন্ন এলাকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাড়া-মহল্লা ও হাসপাতালের আশপাশে কুকুরের উপদ্রবের খবর পাওয়া যায়। তবে কুকুর নিধন কোনো সমাধান নয়। কুকুরের কামড়ে মানুষের শরীরে জলাতঙ্কের সংক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্যেই এ টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ আসামি গ্রেফতার
তিনি বলেন, আগামী ১৫ দিন ঢাকা থেকে আসা বিশেষ কর্মীদের চারটি দল মাঠপর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডের বেওয়ারিশ ও পোষা কুকুরকে টিকার আওতায় আনা হবে। টিকা দেওয়ার পর সহজে শনাক্ত করার জন্য কুকুরের শরীরে বিশেষ রঙের চিহ্ন দেওয়া হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য সিটি কর্পোরেশনের একজন মনোনীত প্রতিনিধিও দায়িত্ব পালন করবেন।আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, কুকুরের জলাতঙ্কের টিকাদান সময়োপযোগী উদ্যোগ। যেসব এলাকায় কুকুরের উপদ্রব বেশি, সেসব এলাকার তথ্য দিয়ে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করতে তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।সিলেট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আশিক নূর এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম। এ সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিষয় : কর্মসূচি কুকুরের টিকাদান

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
জলাতঙ্ক নির্মূল কর্মসূচির আওতায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডে বেওয়ারিশ ও পোষা কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আজ (সোমবার) সকাল ১১টায় নগরীর মির্জা জাঙ্গাল এলাকার জেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।উদ্বোধনকালে সিসিক প্রশাসক বলেন, নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব। নগরীর বিভিন্ন এলাকা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পাড়া-মহল্লা ও হাসপাতালের আশপাশে কুকুরের উপদ্রবের খবর পাওয়া যায়। তবে কুকুর নিধন কোনো সমাধান নয়। কুকুরের কামড়ে মানুষের শরীরে জলাতঙ্কের সংক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্যেই এ টিকাদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ আসামি গ্রেফতার
তিনি বলেন, আগামী ১৫ দিন ঢাকা থেকে আসা বিশেষ কর্মীদের চারটি দল মাঠপর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সিটি কর্পোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডের বেওয়ারিশ ও পোষা কুকুরকে টিকার আওতায় আনা হবে। টিকা দেওয়ার পর সহজে শনাক্ত করার জন্য কুকুরের শরীরে বিশেষ রঙের চিহ্ন দেওয়া হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য সিটি কর্পোরেশনের একজন মনোনীত প্রতিনিধিও দায়িত্ব পালন করবেন।আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, কুকুরের জলাতঙ্কের টিকাদান সময়োপযোগী উদ্যোগ। যেসব এলাকায় কুকুরের উপদ্রব বেশি, সেসব এলাকার তথ্য দিয়ে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করতে তিনি নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।সিলেট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সচিব মো. আশিক নূর এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম। এ সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন