ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কসবা পৌরসভা ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় পেট্রোল পাম্পের বাইরে খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি লিটারে ১০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন সিএনজি মোটরসাইকেল সহ বিভিন্ন যানবাহন চালকেরা। ১১ অক্টোবর ২০২৬ সরেজমিনে চালকদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১৬০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৬৫ টাকা হলেও কসবা ভিবিন্ন এলাকার কয়েকটি বিক্রয়কেন্দ্রে পেট্রোল ১৭০ টাকা ও অকটেন ১৭৫ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন,মাদারীপুর সদর মডেল থানা এলাকা হতে ২২০ (দুইশত বিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার জেলা ডিবি পুলিশ
তবে পাম্পে নির্ধারিত দামে জ্বালানি পাওয়া গেলেও দীর্ঘ সারি ও সরবরাহের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক চালক বাধ্য হয়ে এসব বিক্রয়কেন্দ্র থেকে জ্বালানি কিনছেন বলে জানান। উপজেলার অন্যান্য এলাকায় জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং নির্ধারিত দামে জ্বালানি বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান ভুক্তভোগীরা। কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ছামিউল ইসলাম বলেন তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পর আশা করি চালকদের ভোগান্তি কমবে।

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কসবা পৌরসভা ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় পেট্রোল পাম্পের বাইরে খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি লিটারে ১০ টাকা বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন সিএনজি মোটরসাইকেল সহ বিভিন্ন যানবাহন চালকেরা। ১১ অক্টোবর ২০২৬ সরেজমিনে চালকদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১৬০ টাকা এবং অকটেনের দাম ১৬৫ টাকা হলেও কসবা ভিবিন্ন এলাকার কয়েকটি বিক্রয়কেন্দ্রে পেট্রোল ১৭০ টাকা ও অকটেন ১৭৫ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন,মাদারীপুর সদর মডেল থানা এলাকা হতে ২২০ (দুইশত বিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার জেলা ডিবি পুলিশ
তবে পাম্পে নির্ধারিত দামে জ্বালানি পাওয়া গেলেও দীর্ঘ সারি ও সরবরাহের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক চালক বাধ্য হয়ে এসব বিক্রয়কেন্দ্র থেকে জ্বালানি কিনছেন বলে জানান। উপজেলার অন্যান্য এলাকায় জ্বালানি বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং নির্ধারিত দামে জ্বালানি বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান ভুক্তভোগীরা। কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ছামিউল ইসলাম বলেন তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পর আশা করি চালকদের ভোগান্তি কমবে।

আপনার মতামত লিখুন