বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন মারা গেছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন।তাঁর মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক শোকবার্তার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম। শোকবার্তায় তিনি রোটনকে নিজের ভাই, সহযোদ্ধা ও সুখ-দুঃখের সঙ্গী হিসেবে উল্লেখ করে গভীর শোক প্রকাশ করেন।এনামুল হক শামীম তাঁর বার্তায় লেখেন, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের চলে যাওয়ার বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। অল্প সময়ের মধ্যে তাঁকে হারানোর বিষয়টি মেনে নেওয়া কঠিন বলেও শোকবার্তায় উল্লেখ করেন তিনি।মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে সজাগ থাকবে বিএনপি: গয়েশ্বর
ওই সময় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।ছাত্রলীগের রাজনীতিতে দায়িত্ব পালনের পর রোটন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় হন। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায়। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবেও মনোনীত হন তিনি।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন এবং পরবর্তী সময়ে দলীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে পরিচিতি লাভ করেন রোটন।তাঁর মৃত্যুর খবরে রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মরদেহ দেশে আনা এবং দাফনসংক্রান্ত পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
বিষয় : কলকাতা সাবেক নেতা মারা গেলেন

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন মারা গেছেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন।তাঁর মৃত্যুর খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক শোকবার্তার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম। শোকবার্তায় তিনি রোটনকে নিজের ভাই, সহযোদ্ধা ও সুখ-দুঃখের সঙ্গী হিসেবে উল্লেখ করে গভীর শোক প্রকাশ করেন।এনামুল হক শামীম তাঁর বার্তায় লেখেন, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের চলে যাওয়ার বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। অল্প সময়ের মধ্যে তাঁকে হারানোর বিষয়টি মেনে নেওয়া কঠিন বলেও শোকবার্তায় উল্লেখ করেন তিনি।মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
আরও পড়ুন, দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন করতে সজাগ থাকবে বিএনপি: গয়েশ্বর
ওই সময় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।ছাত্রলীগের রাজনীতিতে দায়িত্ব পালনের পর রোটন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় হন। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায়। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবেও মনোনীত হন তিনি।দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জীবনে ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন এবং পরবর্তী সময়ে দলীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে পরিচিতি লাভ করেন রোটন।তাঁর মৃত্যুর খবরে রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মরদেহ দেশে আনা এবং দাফনসংক্রান্ত পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন