রাসায়নিক দুর্ঘটনা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় আভিযানিক সক্ষমতা এবং প্রস্তুতি বাড়াতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সিচুয়েশন্যাল ট্রেনিং এক্সারসাইজ’।মঙ্গলবার বানৌজা ঈসা খানে নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ মহড়ায় আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৪১ জন এবং নৌবাহিনীর ৪৫৫ জন সদস্য অংশ নেন।মহড়ায় রাসায়নিক দুর্ঘটনাজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার বিভিন্ন কৌশল অনুশীলন করা হয়।
আরও পড়ুন, ‘সবাই একটু একটু করে এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব’: প্রধানমন্ত্রী
এর মধ্যে ছিল দুর্ঘটনাস্থল নিরাপদ করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ, রাসায়নিক পদার্থের বিস্তার রোধ, আক্রান্ত ও বিপদাপন্ন ব্যক্তিদের উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর।পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমও অনুশীলন করেন অংশগ্রহণকারীরা।মহড়ায় ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, উদ্ধারকারী সদস্যদের নিরাপত্তা এবং জরুরি সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাস্তবসম্মত পরিস্থিতিতে পারস্পরিক যোগাযোগ, দায়িত্ব বণ্টন এবং সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা রাসায়নিক জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার অনুশীলন করেন।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
রাসায়নিক দুর্ঘটনা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় আভিযানিক সক্ষমতা এবং প্রস্তুতি বাড়াতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সিচুয়েশন্যাল ট্রেনিং এক্সারসাইজ’।মঙ্গলবার বানৌজা ঈসা খানে নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ মহড়ায় আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৪১ জন এবং নৌবাহিনীর ৪৫৫ জন সদস্য অংশ নেন।মহড়ায় রাসায়নিক দুর্ঘটনাজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার বিভিন্ন কৌশল অনুশীলন করা হয়।
আরও পড়ুন, ‘সবাই একটু একটু করে এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব’: প্রধানমন্ত্রী
এর মধ্যে ছিল দুর্ঘটনাস্থল নিরাপদ করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ, রাসায়নিক পদার্থের বিস্তার রোধ, আক্রান্ত ও বিপদাপন্ন ব্যক্তিদের উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর।পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমও অনুশীলন করেন অংশগ্রহণকারীরা।মহড়ায় ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, উদ্ধারকারী সদস্যদের নিরাপত্তা এবং জরুরি সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাস্তবসম্মত পরিস্থিতিতে পারস্পরিক যোগাযোগ, দায়িত্ব বণ্টন এবং সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা রাসায়নিক জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার অনুশীলন করেন।

আপনার মতামত লিখুন