বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে নতুন এক প্রস্তাব দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মো. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে অতিরিক্ত প্রত্যেক অতিথির জন্য এক হাজার টাকা সরকারি কর নির্ধারণ করা উচিত।শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক এবং বিত্তবৈভবের প্রদর্শনী
আরো পড়ুন , চলচ্চিত্র শিল্পে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান
উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গায়ে হলুদের মতো অনুষ্ঠানের জন্য দীর্ঘদিন নাচের প্রশিক্ষণ, বিলাসী আয়োজন এবং বিপুল ব্যয়ের সংস্কৃতি সমাজে অপচয় বাড়াচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এসব অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়, অথচ পরিবেশিত খাবারের বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এই অপচয় কমাতে আগে চালু থাকা অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইনের আদলে নতুন করে কর আরোপের প্রস্তাব দেন তিনি।বিএনপির এই সংসদ সদস্যের দাবি, সামাজিক অনুষ্ঠানে অপচয় নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর চাপ কমবে এবং এর ফলে পণ্যের দাম প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে।তবে এটি এখনো কেবল একটি প্রস্তাব। এ বিষয়ে সরকার বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
বিষয় : বিয়ের অপচয় কমলে নিত্যপণ্যের

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে নতুন এক প্রস্তাব দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা মো. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে অতিরিক্ত প্রত্যেক অতিথির জন্য এক হাজার টাকা সরকারি কর নির্ধারণ করা উচিত।শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্তমানে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক এবং বিত্তবৈভবের প্রদর্শনী
আরো পড়ুন , চলচ্চিত্র শিল্পে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে সরকার: ডা. জাহেদ উর রহমান
উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। গায়ে হলুদের মতো অনুষ্ঠানের জন্য দীর্ঘদিন নাচের প্রশিক্ষণ, বিলাসী আয়োজন এবং বিপুল ব্যয়ের সংস্কৃতি সমাজে অপচয় বাড়াচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এসব অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়, অথচ পরিবেশিত খাবারের বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এই অপচয় কমাতে আগে চালু থাকা অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইনের আদলে নতুন করে কর আরোপের প্রস্তাব দেন তিনি।বিএনপির এই সংসদ সদস্যের দাবি, সামাজিক অনুষ্ঠানে অপচয় নিয়ন্ত্রণ করা গেলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর চাপ কমবে এবং এর ফলে পণ্যের দাম প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে।তবে এটি এখনো কেবল একটি প্রস্তাব। এ বিষয়ে সরকার বা জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন