বলিউড তারকাদের ঘিরে আবারও আলোচনায় কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম। মুম্বাইয়ের জুহুতে অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলায় টাইগার শ্রফ অক্ষত থাকলেও তাঁর গাড়িচালকসহ দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। হামলার পর বিষ্ণোই চক্রের নামে ছড়িয়ে পড়া একটি বার্তায় দায় স্বীকারের পাশাপাশি সালমান খানের সঙ্গে কাজ করা অন্যদেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে। তবে বার্তাটির সত্যতা এবং লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। এ ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে সোমবার ভারতের রাজস্থানের কোটায় অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনসহ তিন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। কোটার পুলিশ সুপার তেজস্বিনী গৌতম জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রেহান নামের একজনের সঙ্গে বিষ্ণোইয়ের কথিত সহযোগী অনিল পণ্ডিতের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার পেছনের উদ্দেশ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। ১৯৯৩ সালে পাঞ্জাবে জন্ম নেওয়া লরেন্স বিষ্ণোই ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে পরিচিতি পান।
আরও পড়ুন,২২ অক্টোবর আসছে ‘লিখব না আর গান’
পরে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে তিনি গুজরাটের আহমেদাবাদের সবরমতি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী। কারাগারে থেকেও তাঁর সহযোগীদের মাধ্যমে অপরাধী চক্র পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে বিষ্ণোইয়ের বিরোধের সূত্রপাত ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনা থেকে। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে এই প্রাণী পবিত্র হিসেবে বিবেচিত। ২০১৮ সালে সালমানকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন লরেন্স। এরপর ২০২৪ সালের এপ্রিলে মুম্বাইয়ে সালমানের বাসভবন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টসের বাইরে গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই হামলার সঙ্গে বিষ্ণোই চক্রের সংশ্লিষ্টতা ছিল। এ ছাড়া ২০২২ সালে পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা হত্যা এবং ২০২৪ সালে মহারাষ্ট্রের সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিক হত্যার পরও এই চক্রের নাম আলোচনায় আসে। বিভিন্ন ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায় স্বীকার ও হুমকির বার্তা ছড়িয়ে আতঙ্ক তৈরির অভিযোগ রয়েছে চক্রটির বিরুদ্ধে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আলোচিত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে হামলা এবং পরে প্রচারণার মাধ্যমে ভয় ছড়িয়ে দেওয়া অপরাধী চক্রের প্রভাব বিস্তারের কৌশল হতে পারে। তবে টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলির ঘটনায় কারা জড়িত, তা নিশ্চিত করতে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
বলিউড তারকাদের ঘিরে আবারও আলোচনায় কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম। মুম্বাইয়ের জুহুতে অভিনেতা টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলায় টাইগার শ্রফ অক্ষত থাকলেও তাঁর গাড়িচালকসহ দুজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। হামলার পর বিষ্ণোই চক্রের নামে ছড়িয়ে পড়া একটি বার্তায় দায় স্বীকারের পাশাপাশি সালমান খানের সঙ্গে কাজ করা অন্যদেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে। তবে বার্তাটির সত্যতা এবং লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা এখনো নিশ্চিত হয়নি। এ ঘটনায় তদন্তের অংশ হিসেবে সোমবার ভারতের রাজস্থানের কোটায় অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনসহ তিন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ। কোটার পুলিশ সুপার তেজস্বিনী গৌতম জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রেহান নামের একজনের সঙ্গে বিষ্ণোইয়ের কথিত সহযোগী অনিল পণ্ডিতের যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার পেছনের উদ্দেশ্য ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। ১৯৯৩ সালে পাঞ্জাবে জন্ম নেওয়া লরেন্স বিষ্ণোই ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে পরিচিতি পান।
আরও পড়ুন,২২ অক্টোবর আসছে ‘লিখব না আর গান’
পরে তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে তিনি গুজরাটের আহমেদাবাদের সবরমতি কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী। কারাগারে থেকেও তাঁর সহযোগীদের মাধ্যমে অপরাধী চক্র পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে বিষ্ণোইয়ের বিরোধের সূত্রপাত ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনা থেকে। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে এই প্রাণী পবিত্র হিসেবে বিবেচিত। ২০১৮ সালে সালমানকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন লরেন্স। এরপর ২০২৪ সালের এপ্রিলে মুম্বাইয়ে সালমানের বাসভবন গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টসের বাইরে গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই হামলার সঙ্গে বিষ্ণোই চক্রের সংশ্লিষ্টতা ছিল। এ ছাড়া ২০২২ সালে পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা হত্যা এবং ২০২৪ সালে মহারাষ্ট্রের সাবেক মন্ত্রী বাবা সিদ্দিক হত্যার পরও এই চক্রের নাম আলোচনায় আসে। বিভিন্ন ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায় স্বীকার ও হুমকির বার্তা ছড়িয়ে আতঙ্ক তৈরির অভিযোগ রয়েছে চক্রটির বিরুদ্ধে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আলোচিত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে হামলা এবং পরে প্রচারণার মাধ্যমে ভয় ছড়িয়ে দেওয়া অপরাধী চক্রের প্রভাব বিস্তারের কৌশল হতে পারে। তবে টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলির ঘটনায় কারা জড়িত, তা নিশ্চিত করতে তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন