দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর এক মা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার অমরপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর বালুপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে মা ও তাঁর দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতরা হলেন স্বর্ণা আক্তার (২২), তাঁর চার বছর বয়সী ছেলে সাফায়েত হোসেন এবং এক বছর বয়সী মেয়ে রাইসা আক্তার। স্বর্ণা মোস্তফাপুর গ্রামের মাহাতাব হোসেনের ছেলে শাকিলের স্ত্রী।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর বাড়িতে মা ও দুই সন্তানের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তাঁরা বিষয়টি পুলিশকে জানান।
আরও পড়ুন, গাজীপুরে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুন নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে হত্যার পর আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কী কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তা জানতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার পর এক মা আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার অমরপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর বালুপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে মা ও তাঁর দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতরা হলেন স্বর্ণা আক্তার (২২), তাঁর চার বছর বয়সী ছেলে সাফায়েত হোসেন এবং এক বছর বয়সী মেয়ে রাইসা আক্তার। স্বর্ণা মোস্তফাপুর গ্রামের মাহাতাব হোসেনের ছেলে শাকিলের স্ত্রী।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর বাড়িতে মা ও দুই সন্তানের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তাঁরা বিষয়টি পুলিশকে জানান।
আরও পড়ুন, গাজীপুরে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুন নবী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে হত্যার পর আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ছাড়া মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। কী কারণে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তা জানতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন