সিলেট সদর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, খাদিমনগর ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের সরকারি ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিনভর এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিলেট সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শিহাব সারার অভী-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) এবং ব্যাটালিয়ন আনসারের একটি দল সহযোগিতা করে। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এই অভিযানে মোট ১৩,৫০০ ঘনফুট বালু ও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে, ৫নং ওয়ার্ডের মুড়ারগাঁও এলাকার ইলিয়াছড়া হতে অবৈধভাবে উত্তোলিত সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের নিকটবর্তী এলাকা থেকে আনুমানিক ২,০০০ ঘনফুট বালু। ৬নং ওয়ার্ডের বদনাছড়া কালাগুল মাদ্রাসা সংলগ্ন ঘাট হতে প্রায় ৩,০০০ ঘনফুট বালু। ৮নং ওয়ার্ডের এওরারটুক মোটরঘাট হতে অনুমিত ৬,৫০০ ঘনফুট বালু এবং একই মোটরঘাটের দক্ষিণ পার্শ্বস্থ এলাকা হতে আরও প্রায় ২,০০০ ঘনফুট বালু। ৭ নং ওয়ার্ডের সাহেবের বাজার সংলগ্ন এলাকা হতে ১টি বালু বোঝাই ট্রাক আটক করা হয়। এছাড়াও,
আরও পড়ুন,সিলেটের কানাইঘাট থানা পুলিশের অভিযানে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
পৃথক আরেকটি অভিযোগের ভিত্তিতে ছালিয়া মৌজার কাকুয়ারপার এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে টিলা কাটার প্রাথমিক প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বরাবর প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। সিন্ডিকেট ধরাছোঁয়ার বাইরে, জনমনে প্রশ্ন? বিপুল পরিমাণ অবৈধ বালু, ট্রাক এবং টিলা কাটার সুস্পষ্ট প্রমাণ মিললেও দিনভর পরিচালিত এই অভিযানে বালু উত্তোলন বা টিলা কাটার সাথে জড়িত কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি বলে প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘তদন্ত রিপোর্ট’ পত্রিকায় যাদের বিরুদ্ধে বালুখেকোদের পাহারা দেওয়া ও বখরা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল, প্রশাসনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা সেই সোর্সদের মাধ্যমেই কি অভিযানের খবর আগেভাগে বালুখেকোদের কাছে পৌঁছে গেছে? তা না হলে হাজার হাজার ঘনফুট বালু ও ট্রাক রেখে সিন্ডিকেটের সদস্যরা কীভাবে নিমেষেই হাওয়া হয়ে গেল? সচেতন মহলের দাবি, কেবল পরিত্যক্ত অবস্থায় বালু বাজেয়াপ্ত করলেই এই মহোৎসব থামবে না বরং পরিবেশ ধ্বংসকারী এই মূল হোতাদের এবং তাদের নেপথ্যে থাকা অসাধু প্রশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনের আওতায় আনতে হবে।

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সিলেট সদর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, খাদিমনগর ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের সরকারি ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিনভর এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। সিলেট সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শিহাব সারার অভী-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) এবং ব্যাটালিয়ন আনসারের একটি দল সহযোগিতা করে। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত এই অভিযানে মোট ১৩,৫০০ ঘনফুট বালু ও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে, ৫নং ওয়ার্ডের মুড়ারগাঁও এলাকার ইলিয়াছড়া হতে অবৈধভাবে উত্তোলিত সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের নিকটবর্তী এলাকা থেকে আনুমানিক ২,০০০ ঘনফুট বালু। ৬নং ওয়ার্ডের বদনাছড়া কালাগুল মাদ্রাসা সংলগ্ন ঘাট হতে প্রায় ৩,০০০ ঘনফুট বালু। ৮নং ওয়ার্ডের এওরারটুক মোটরঘাট হতে অনুমিত ৬,৫০০ ঘনফুট বালু এবং একই মোটরঘাটের দক্ষিণ পার্শ্বস্থ এলাকা হতে আরও প্রায় ২,০০০ ঘনফুট বালু। ৭ নং ওয়ার্ডের সাহেবের বাজার সংলগ্ন এলাকা হতে ১টি বালু বোঝাই ট্রাক আটক করা হয়। এছাড়াও,
আরও পড়ুন,সিলেটের কানাইঘাট থানা পুলিশের অভিযানে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ ০১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
পৃথক আরেকটি অভিযোগের ভিত্তিতে ছালিয়া মৌজার কাকুয়ারপার এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে টিলা কাটার প্রাথমিক প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর, সিলেট বরাবর প্রতিবেদন প্রেরণ করা হয়েছে। সিন্ডিকেট ধরাছোঁয়ার বাইরে, জনমনে প্রশ্ন? বিপুল পরিমাণ অবৈধ বালু, ট্রাক এবং টিলা কাটার সুস্পষ্ট প্রমাণ মিললেও দিনভর পরিচালিত এই অভিযানে বালু উত্তোলন বা টিলা কাটার সাথে জড়িত কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি বলে প্রেস রিলিজে উল্লেখ করা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘তদন্ত রিপোর্ট’ পত্রিকায় যাদের বিরুদ্ধে বালুখেকোদের পাহারা দেওয়া ও বখরা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল, প্রশাসনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা সেই সোর্সদের মাধ্যমেই কি অভিযানের খবর আগেভাগে বালুখেকোদের কাছে পৌঁছে গেছে? তা না হলে হাজার হাজার ঘনফুট বালু ও ট্রাক রেখে সিন্ডিকেটের সদস্যরা কীভাবে নিমেষেই হাওয়া হয়ে গেল? সচেতন মহলের দাবি, কেবল পরিত্যক্ত অবস্থায় বালু বাজেয়াপ্ত করলেই এই মহোৎসব থামবে না বরং পরিবেশ ধ্বংসকারী এই মূল হোতাদের এবং তাদের নেপথ্যে থাকা অসাধু প্রশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনের আওতায় আনতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন