যশোরের মনিরামপুর উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়নের নোয়ালী গ্রামে সেচ প্রকল্পের অনিয়ম ও জোর-জবরদস্তি করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।
ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, নোয়ালী গ্রামের মোঃ আবুল হোসেনের ছেলে সাইদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে আইনবহির্ভূতভাবে সেচ প্রকল্প পরিচালনা করে আসছেন। বিভিন্ন সময় ক্ষেতে সেচ না দিয়েও সরকার নির্ধারিত বিলের চেয়ে উচ্চ হারে বিল আদায়, সময়মতো পানি না দেওয়া এবং স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এতে কৃষকরা আর্থিক লোকসানের কবলে পড়েছেন।
কৃষকরা আরও অভিযোগ করেন,
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় ১৯ পূজামণ্ডপে চেয়ারম্যান দুলুর ব্যক্তিগত অনুদান
সুষ্ঠুভাবে সেচ প্রদানের জন্য বারবার পরিচালক শহিদুল ইসলামের কাছে গেলে তিনি পেশীশক্তি ব্যবহার করে কৃষকদের সাথে অমানবিক আচরণ করেন। এমনকি একাধিক কৃষকের স্ত্রী বিনয়ের সাথে ক্ষেতে পানি দেওয়ার অনুরোধ করতে গেলে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। উপায়ান্তর না পেয়ে ভুক্তভোগী কৃষকরা ইতিপূর্বে ১৩আক্টোবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ১৮ অক্টোবর রবিবার বিকালে নোয়ালী মাঠে ও মেন সড়কে সকল কৃষক একত্রিত হয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধনে কৃষকরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
বিষয় : মানববন্ধন সেচ প্রকল্প

রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়নের নোয়ালী গ্রামে সেচ প্রকল্পের অনিয়ম ও জোর-জবরদস্তি করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।
ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, নোয়ালী গ্রামের মোঃ আবুল হোসেনের ছেলে সাইদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে আইনবহির্ভূতভাবে সেচ প্রকল্প পরিচালনা করে আসছেন। বিভিন্ন সময় ক্ষেতে সেচ না দিয়েও সরকার নির্ধারিত বিলের চেয়ে উচ্চ হারে বিল আদায়, সময়মতো পানি না দেওয়া এবং স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এতে কৃষকরা আর্থিক লোকসানের কবলে পড়েছেন।
কৃষকরা আরও অভিযোগ করেন,
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় ১৯ পূজামণ্ডপে চেয়ারম্যান দুলুর ব্যক্তিগত অনুদান
সুষ্ঠুভাবে সেচ প্রদানের জন্য বারবার পরিচালক শহিদুল ইসলামের কাছে গেলে তিনি পেশীশক্তি ব্যবহার করে কৃষকদের সাথে অমানবিক আচরণ করেন। এমনকি একাধিক কৃষকের স্ত্রী বিনয়ের সাথে ক্ষেতে পানি দেওয়ার অনুরোধ করতে গেলে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। উপায়ান্তর না পেয়ে ভুক্তভোগী কৃষকরা ইতিপূর্বে ১৩আক্টোবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ১৮ অক্টোবর রবিবার বিকালে নোয়ালী মাঠে ও মেন সড়কে সকল কৃষক একত্রিত হয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধনে কৃষকরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

আপনার মতামত লিখুন