গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার এজাহারনামীয় আসামি, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) পরিচালিত এ অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১০০ গ্রাম গাঁজা-সংক্রান্ত একটি মামলার এজাহারনামীয় আসামি একজন, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন তিনজন এবং জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত একজন রয়েছেন।১০০ গ্রাম গাঁজা মামলায় একজন গ্রেপ্তার১০০ গ্রাম গাঁজা-সংক্রান্ত মামলার এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন মোঃ রুবেল ওরফে জুয়েল (২৪)। তাঁর পিতার নাম মোঃ লুকমান মিয়া এবং মাতার নাম সামছুন্নাহার। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার পাগলাপীর এলাকার একটি গ্রামে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন মোরকুন এলাকায় কাশেমের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন বলে দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন তিনজন গ্রেপ্তারডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, গোলাপগঞ্জে ক্লিনিকে ঢুকে হামলার অভিযোগ: ৫ লাখ টাকা লুট, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ আটক ২
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ হাবিবুর রহমান ওরফে স্বাধীন (২৩), মোঃ খোকন মিয়া (৩৫) এবং মোঃ মাহাবুব (৩৬)।গ্রেপ্তার মোঃ হাবিবুর রহমান ওরফে স্বাধীন রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার সানের হাট এলাকার ফজলুর রহমান ও জরিনা বেগমের ছেলে। তিনি বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন ভোগড়া পেয়ারাবাগান এলাকায় বসবাস করতেন বলে জানা গেছে।মোঃ খোকন মিয়া শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী থানার ভালুকা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম মোঃ আফাজ উদ্দিন এবং মাতার নাম হনুফা।অপর গ্রেপ্তার ব্যক্তি মোঃ মাহাবুব নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার রূপনগর পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম মৃত মজিবর রহমান এবং মাতার নাম নিলা বেগম। তিনি বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের সদর থানাধীন দক্ষিণ সালনা এলাকার মন্ত্রীপাড়া রোডে রোমানের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন বলে প্রাপ্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আরও একজন গ্রেপ্তারএ ছাড়া জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে জালাল ওরফে জালুকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর পিতার নাম আলমাদ আলী। তিনি গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন চান্দনা পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা।আদালতে পাঠানো হয়েছে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদেরবাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের পর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর আইনানুগ কার্যক্রম চলমান থাকবে।আইন অনুযায়ী, মামলার অভিযোগ ও তদন্তের ভিত্তিতে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। গ্রেপ্তার হওয়া বা কোনো মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখিত হওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়।
বিষয় : আসামি মাদক মামলা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
গাজীপুর মহানগরের বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার এজাহারনামীয় আসামি, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) পরিচালিত এ অভিযানে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১০০ গ্রাম গাঁজা-সংক্রান্ত একটি মামলার এজাহারনামীয় আসামি একজন, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন তিনজন এবং জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত একজন রয়েছেন।১০০ গ্রাম গাঁজা মামলায় একজন গ্রেপ্তার১০০ গ্রাম গাঁজা-সংক্রান্ত মামলার এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন মোঃ রুবেল ওরফে জুয়েল (২৪)। তাঁর পিতার নাম মোঃ লুকমান মিয়া এবং মাতার নাম সামছুন্নাহার। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার পাগলাপীর এলাকার একটি গ্রামে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের গাছা থানাধীন মোরকুন এলাকায় কাশেমের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন বলে দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন তিনজন গ্রেপ্তারডাকাতির প্রস্তুতি মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, গোলাপগঞ্জে ক্লিনিকে ঢুকে হামলার অভিযোগ: ৫ লাখ টাকা লুট, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ আটক ২
তাঁদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ হাবিবুর রহমান ওরফে স্বাধীন (২৩), মোঃ খোকন মিয়া (৩৫) এবং মোঃ মাহাবুব (৩৬)।গ্রেপ্তার মোঃ হাবিবুর রহমান ওরফে স্বাধীন রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার সানের হাট এলাকার ফজলুর রহমান ও জরিনা বেগমের ছেলে। তিনি বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন ভোগড়া পেয়ারাবাগান এলাকায় বসবাস করতেন বলে জানা গেছে।মোঃ খোকন মিয়া শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী থানার ভালুকা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম মোঃ আফাজ উদ্দিন এবং মাতার নাম হনুফা।অপর গ্রেপ্তার ব্যক্তি মোঃ মাহাবুব নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার রূপনগর পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম মৃত মজিবর রহমান এবং মাতার নাম নিলা বেগম। তিনি বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের সদর থানাধীন দক্ষিণ সালনা এলাকার মন্ত্রীপাড়া রোডে রোমানের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন বলে প্রাপ্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আরও একজন গ্রেপ্তারএ ছাড়া জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে জালাল ওরফে জালুকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর পিতার নাম আলমাদ আলী। তিনি গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন চান্দনা পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা।আদালতে পাঠানো হয়েছে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদেরবাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের পর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর আইনানুগ কার্যক্রম চলমান থাকবে।আইন অনুযায়ী, মামলার অভিযোগ ও তদন্তের ভিত্তিতে আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। গ্রেপ্তার হওয়া বা কোনো মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখিত হওয়া মানেই অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়।

আপনার মতামত লিখুন