জনপ্রশাসনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নাগরিক সেবার মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি। রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।\ বৈঠকে কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আইনগত, প্রশাসনিক কিংবা বাস্তব কোনো বাধা থাকলে তা কমিটির সামনে তুলে ধরতে হবে। কোনো তথ্য গোপন না করে প্রয়োজনীয় নথি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বাস্তব পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে হবে। তিনি নাগরিক সেবা সহজ ও দ্রুত করার পাশাপাশি জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
আরোও পড়ুন,নো চাঁদাবাজি, নো দখল, নো সন্ত্রাসী’ বরগুনায় চিফ হুইপ
তাঁর মতে, ডিজিটাল সেবা ও তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিকদের সময়, অর্থ ও শ্রম সাশ্রয় করা সম্ভব। এ জন্য সেবাপ্রদানে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সাঈদ আহমেদ বলেন, সমস্যা সমাধানে প্রচলিত ধ্যানধারণা থেকে বেরিয়ে এসে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। সরকারি কর্মচারীরা কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নন; তাঁরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। পাশাপাশি তিনি কমিটিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে না দেখে সবার সম্মিলিত কাজের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সাঈদ আহমেদ। এতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারীসহ কমিটির সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), শাহজাহান চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম খান, ফখর উদ্দিন আহমেদ, রেহেনা আক্তার ও মো. নূরুল ইসলাম অংশ নেন।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
জনপ্রশাসনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নাগরিক সেবার মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি। রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।\ বৈঠকে কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আইনগত, প্রশাসনিক কিংবা বাস্তব কোনো বাধা থাকলে তা কমিটির সামনে তুলে ধরতে হবে। কোনো তথ্য গোপন না করে প্রয়োজনীয় নথি, প্রাসঙ্গিক তথ্য এবং বাস্তব পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে হবে। তিনি নাগরিক সেবা সহজ ও দ্রুত করার পাশাপাশি জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
আরোও পড়ুন,নো চাঁদাবাজি, নো দখল, নো সন্ত্রাসী’ বরগুনায় চিফ হুইপ
তাঁর মতে, ডিজিটাল সেবা ও তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমে নাগরিকদের সময়, অর্থ ও শ্রম সাশ্রয় করা সম্ভব। এ জন্য সেবাপ্রদানে প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সাঈদ আহমেদ বলেন, সমস্যা সমাধানে প্রচলিত ধ্যানধারণা থেকে বেরিয়ে এসে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। সরকারি কর্মচারীরা কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নন; তাঁরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী। পাশাপাশি তিনি কমিটিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে না দেখে সবার সম্মিলিত কাজের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সাঈদ আহমেদ। এতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারীসহ কমিটির সদস্য এ বি এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান), শাহজাহান চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম খান, ফখর উদ্দিন আহমেদ, রেহেনা আক্তার ও মো. নূরুল ইসলাম অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন