এলপিজি ব্যবসায়ীদের ঘোষিত দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এলপিজি বিক্রিতে ব্যবসায়ীদের কমিশন বাড়ানোর দাবিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর গণশুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বুধবার (১৪ অক্টোবর) ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান। তিনি জানান, গত দুই দিনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁদের কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে।সর্বশেষ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিইআরসি চেয়ারম্যান আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল ১০টায় গণশুনানির মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণের আশ্বাস দেন। এ আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সেলিম খান।এর আগে গত ১২ অক্টোবর এলপিজি ব্যবসায়ীরা ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে সব এলপিজি বিক্রির দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন, ৯ নভেম্বর বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন
ধর্মঘট কার্যকর হলে গ্রাহকদের এলপিজি সরবরাহ ও কেনাকাটায় ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এদিকে বুধবার সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।একই সঙ্গে ধর্মঘট প্রত্যাহার না করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন জ্বালানিমন্ত্রী।আগামী ২৯ অক্টোবরের গণশুনানিতে ব্যবসায়ীদের কমিশন বৃদ্ধিসহ উত্থাপিত দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে এলপিজি ব্যবসায়ীদের দাবিগুলোর পরবর্তী অগ্রগতি।
বিষয় : এলপিজি ব্যবসায়ী ধর্মঘট প্রত্যাহার

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ঘোষিত দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এলপিজি বিক্রিতে ব্যবসায়ীদের কমিশন বাড়ানোর দাবিসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর গণশুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।বুধবার (১৪ অক্টোবর) ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান। তিনি জানান, গত দুই দিনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁদের কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে।সর্বশেষ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিইআরসি চেয়ারম্যান আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল ১০টায় গণশুনানির মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে পূরণের আশ্বাস দেন। এ আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সেলিম খান।এর আগে গত ১২ অক্টোবর এলপিজি ব্যবসায়ীরা ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে সব এলপিজি বিক্রির দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন, ৯ নভেম্বর বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন
ধর্মঘট কার্যকর হলে গ্রাহকদের এলপিজি সরবরাহ ও কেনাকাটায় ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এদিকে বুধবার সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।একই সঙ্গে ধর্মঘট প্রত্যাহার না করা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন জ্বালানিমন্ত্রী।আগামী ২৯ অক্টোবরের গণশুনানিতে ব্যবসায়ীদের কমিশন বৃদ্ধিসহ উত্থাপিত দাবিগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে এলপিজি ব্যবসায়ীদের দাবিগুলোর পরবর্তী অগ্রগতি।

আপনার মতামত লিখুন