গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার লোহারংক গ্রামের পূর্বপাড়ায় খাল দখল করে স্থাপনা ও বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মনির বিশ্বাস, আলী দাঁড়িয়া ও আশ্রাবআলী দাঁড়িয়ার বিরুদ্ধে। এতে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হয়ে বর্ষায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং স্থানীয়দের চলাচলে দুর্ভোগ হয় বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় একই গ্রামের বাসিন্দা ফরিদ দাঁড়িয়া উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগ, খাল দখলের পাশাপাশি ইটসলিং করা একটি রাস্তা ব্যবহারে স্থানীয়দের বাধা দেওয়া হচ্ছে। ওই পথ দিয়ে মানুষ মসজিদে যান এবং শিশুরা বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে।
আরও পড়ুন, মহেশপুরে এসএসসি ও দাখিলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৩০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা
প্রতিবাদ করলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগের পর বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ-উল-আরেফিন স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং খাল দখল করে নির্মিত স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। ইউএনও বলেন, সরকারি খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। নির্দেশনা না মানলে সরকারি উদ্যোগে উচ্ছেদ করা হবে। স্থানীয়রা জানান, খালটি দখলমুক্ত হলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমবে এবং চলাচল স্বাভাবিক হবে। তাঁরা দ্রুত তদন্ত করে খালের পানি প্রবাহ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং চলাচলের পথ নির্বিঘ্ন করার দাবি জানিয়েছেন।
বিষয় : বসতবাড়ি নির্মাণ খাল দখল

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার লোহারংক গ্রামের পূর্বপাড়ায় খাল দখল করে স্থাপনা ও বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মনির বিশ্বাস, আলী দাঁড়িয়া ও আশ্রাবআলী দাঁড়িয়ার বিরুদ্ধে। এতে পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হয়ে বর্ষায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং স্থানীয়দের চলাচলে দুর্ভোগ হয় বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। এ ঘটনায় একই গ্রামের বাসিন্দা ফরিদ দাঁড়িয়া উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগ, খাল দখলের পাশাপাশি ইটসলিং করা একটি রাস্তা ব্যবহারে স্থানীয়দের বাধা দেওয়া হচ্ছে। ওই পথ দিয়ে মানুষ মসজিদে যান এবং শিশুরা বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে।
আরও পড়ুন, মহেশপুরে এসএসসি ও দাখিলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৩০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা
প্রতিবাদ করলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগের পর বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ-উল-আরেফিন স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং খাল দখল করে নির্মিত স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। ইউএনও বলেন, সরকারি খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ নেই। নির্দেশনা না মানলে সরকারি উদ্যোগে উচ্ছেদ করা হবে। স্থানীয়রা জানান, খালটি দখলমুক্ত হলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা কমবে এবং চলাচল স্বাভাবিক হবে। তাঁরা দ্রুত তদন্ত করে খালের পানি প্রবাহ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং চলাচলের পথ নির্বিঘ্ন করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন