মুগ ডাল, দেশলাই কাঠি, মুক্তা, তিল ও পাটের নান্দনিক ব্যবহারে ব্যতিক্রমী রূপ পেয়েছে সাতক্ষীরার শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন। কোথাও দেড় লাখের বেশি দেশলাই কাঠির কারুকাজ, কোথাও ৩৫ হাজার মুক্তায় সাজানো প্রতিমা, আবার কোথাও ঝরনার পানির মধ্যে অক্ষত থাকছে ফাইবারের দেবীমূর্তি। ধর্মীয় ঐতিহ্যের পাশাপাশি শিল্প, সৃজনশীলতা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে এবার দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করতে প্রস্তুত জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ।জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরার সাত উপজেলায় এবার ৬১২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে শেষ হবে উৎসব।সদরের ধুলিহর ব্রহ্মরাজপুর সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দিরে প্রতিমার সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে দেড় লাখের বেশি দেশলাই কাঠি ও ১০ কেজির বেশি রেশমি সুতা। আশাশুনির বুধহাটা কাছারিপাড়া মণ্ডপে ৪০ থেকে ৪৫ কেজি মুগ ডাল দিয়ে তৈরি হয়েছে দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের প্রতিমা। একই উপজেলার বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গামন্দিরে প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তার কারুকাজে সাজানো হয়েছে ১৩টি প্রতিমা।
আরও পড়ুন, ডোপ টেস্টে পজিটিভ, কিশোরগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল সাময়িক বরখাস্ত
কলারোয়ার মুরারীকাটি পালপাড়ায় সাদা তিল ও চুমকি দিয়ে প্রতিমা সাজানো হয়েছে। অন্যদিকে, সাতক্ষীরা শহরের ‘মায়ের বাড়ি’ মন্দিরে পৌরাণিক কাহিনি তুলে ধরার পাশাপাশি শ্যামনগর ও কালীগঞ্জের বিভিন্ন মণ্ডপে থাকছে বড় আকারের প্রতিমা, বিশেষ আলোকসজ্জা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আয়োজন। পাটকেলঘাটায় পাট ও পাটজাত উপকরণ দিয়ে তুলে ধরা হচ্ছে বাংলার সোনালি আঁশের ঐতিহ্য।জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ জানান, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে পূজা আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়েছে।সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম জানান, পুলিশের কাছে প্রাথমিকভাবে ৬০৯টি মণ্ডপের তথ্য রয়েছে। উৎসবের নিরাপত্তায় টহল, সিসিটিভি নজরদারি, সাদা পোশাকে পুলিশ ও গোয়েন্দা তৎপরতা এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বৈচিত্র্যময় আয়োজনের পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদ্যাপনের প্রত্যাশা করছেন আয়োজক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
মুগ ডাল, দেশলাই কাঠি, মুক্তা, তিল ও পাটের নান্দনিক ব্যবহারে ব্যতিক্রমী রূপ পেয়েছে সাতক্ষীরার শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন। কোথাও দেড় লাখের বেশি দেশলাই কাঠির কারুকাজ, কোথাও ৩৫ হাজার মুক্তায় সাজানো প্রতিমা, আবার কোথাও ঝরনার পানির মধ্যে অক্ষত থাকছে ফাইবারের দেবীমূর্তি। ধর্মীয় ঐতিহ্যের পাশাপাশি শিল্প, সৃজনশীলতা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে এবার দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করতে প্রস্তুত জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ।জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরার সাত উপজেলায় এবার ৬১২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে শেষ হবে উৎসব।সদরের ধুলিহর ব্রহ্মরাজপুর সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দিরে প্রতিমার সাজসজ্জায় ব্যবহার করা হয়েছে দেড় লাখের বেশি দেশলাই কাঠি ও ১০ কেজির বেশি রেশমি সুতা। আশাশুনির বুধহাটা কাছারিপাড়া মণ্ডপে ৪০ থেকে ৪৫ কেজি মুগ ডাল দিয়ে তৈরি হয়েছে দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের প্রতিমা। একই উপজেলার বুড়িয়া সার্বজনীন দুর্গামন্দিরে প্রায় ৩৫ হাজার মুক্তার কারুকাজে সাজানো হয়েছে ১৩টি প্রতিমা।
আরও পড়ুন, ডোপ টেস্টে পজিটিভ, কিশোরগঞ্জে পুলিশ কনস্টেবল সাময়িক বরখাস্ত
কলারোয়ার মুরারীকাটি পালপাড়ায় সাদা তিল ও চুমকি দিয়ে প্রতিমা সাজানো হয়েছে। অন্যদিকে, সাতক্ষীরা শহরের ‘মায়ের বাড়ি’ মন্দিরে পৌরাণিক কাহিনি তুলে ধরার পাশাপাশি শ্যামনগর ও কালীগঞ্জের বিভিন্ন মণ্ডপে থাকছে বড় আকারের প্রতিমা, বিশেষ আলোকসজ্জা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর আয়োজন। পাটকেলঘাটায় পাট ও পাটজাত উপকরণ দিয়ে তুলে ধরা হচ্ছে বাংলার সোনালি আঁশের ঐতিহ্য।জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ জানান, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে পূজা আয়োজনের আহ্বান জানানো হয়েছে।সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার আবু সালেহ মো. আশরাফুল আলম জানান, পুলিশের কাছে প্রাথমিকভাবে ৬০৯টি মণ্ডপের তথ্য রয়েছে। উৎসবের নিরাপত্তায় টহল, সিসিটিভি নজরদারি, সাদা পোশাকে পুলিশ ও গোয়েন্দা তৎপরতা এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।বৈচিত্র্যময় আয়োজনের পাশাপাশি নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদ্যাপনের প্রত্যাশা করছেন আয়োজক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন