সন্ত্রাসবিরোধী ও সাইবার নিরাপত্তা আইনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার রাতে রাজধানীর পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা।সোমবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম তাঁদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।ডিবি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে ৭৭৪ ফোনকল
তবে তাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কী অভিযোগ রয়েছে, মামলার এজাহারে কী উল্লেখ করা হয়েছে এবং তদন্তে এখন পর্যন্ত কী তথ্য পাওয়া গেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।গ্রেফতারের পর তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও মামলার নথি থেকে আরও তথ্য জানা গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা যাবে।আইন অনুযায়ী, গ্রেফতার বা অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যায় না। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
বিষয় : গ্রেফতার সেনা কর্মকর্তা পৃথক স্থান গ্রেফতার

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
সন্ত্রাসবিরোধী ও সাইবার নিরাপত্তা আইনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার রাতে রাজধানীর পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ কুমার বড়ুয়া ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা।সোমবার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম তাঁদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।ডিবি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট হেল্পলাইনে ৭৭৪ ফোনকল
তবে তাঁদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কী অভিযোগ রয়েছে, মামলার এজাহারে কী উল্লেখ করা হয়েছে এবং তদন্তে এখন পর্যন্ত কী তথ্য পাওয়া গেছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।গ্রেফতারের পর তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী কী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও মামলার নথি থেকে আরও তথ্য জানা গেলে প্রতিবেদনটি হালনাগাদ করা যাবে।আইন অনুযায়ী, গ্রেফতার বা অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা যায় না। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

আপনার মতামত লিখুন