
খেলা শেষে সংবাদমাধ্যমের ভিড় ছিল মিক্সড জোনে। বাংলাদেশের গাড়ি অপেক্ষায় রয়েছে প্লেয়ারদের তুলে নেবে। বাস ঘিরে কড়া নিরাপত্তা। কাউকে মুভ করতে দিচ্ছে না। মিক্সড জোনে খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলা যায়। যদি তারা শোনেন। সবার আগ্রহ হামজা চৌধুরীর দিকে। কখন আসবেন সেই অপেক্ষায়।অধিনায়ক জামাল ভূইয়াকে মাঠে নামাননি কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরা। স্ট্যান্ডবাই ফুটবলার পাঁচটা পরিবর্তন করেন কোচ। সেখানেও জামাল ছিলেন না।
রক্ষণে এসেছিলেন। আবার ফিরে গিয়ে রক্ষণ সামাল দিয়েছেন কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২২ মিনিটে তপুকে মাঠ ছাড়তে হয়। সবার ভিড় ঠেলে তপু বর্মণ মিক্সড জোন দিয়ে যাওয়ার সয়ম ইত্তেফাকের প্রশ্নে জানিয়ে গেলেন তার হ্যামস্ট্রিংয়ে টান লেগেছিল। তপু বলেন, ‘আমাদের জেতা ম্যাচ ছিল।’ তপুকে স্ট্রেচারে শুয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। অনেক দিন পর মাঠে নামা তারিক কাজী ভালো পারফরম্যান্স করেছেন। হাসি দেখিয়ে কথা না বলে চলে গেলেন। সহকারী কোচ হাসান আল মামুনের হাসিমুখ দেখে বুঝা গেল তারা খুশি।রতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ফুটবলাররা এত পাওয়ারফুল ফুটবল খেলতে দেখা যায়নি। খেলার শুরুতে যেভাবে চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। বেরিয়ে যাওয়ার সব শেষে প্রাণভোমরা হামজা চৌধুরী মিক্সড জোনে এলেন। তাকে নিয়ে হাজারো প্রশ্ন কিন্তু কাকে রেখে কাকে জবাব ।