
দেশে বর্তমানে বালাইনাশকের বাজার সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার মতো। এর মধ্যে ৫৫ শতাংশ বা ৪ হাজার ১২৫ কোটি টাকার বাজার বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আর স্থানীয় আমদানিকারকদের মাধ্যমে চাহিদার প্রায় ৪১ শতাংশ বা ৩ হাজার ৭৫ কোটি টাকার বালাইনাশক জোগান দেয়া হয়। তবে দেশীয় উৎপাদনকারীরা মাত্র ৪ শতাংশ বা ৩০০ কোটি টাকার বালাইনাশক সরবরাহ করে থাকেন। কৃষি খাতে প্রভাব’ শীর্ষক এক কর্মশালায় এ তথ্য তুলে ধরেন বামার সভাপতি কেএস মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ইআরএফ ও বামা যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে।কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষিবিদ কেএস মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, ‘মাত্র ২০টি প্রতিষ্ঠান স্থানীয়ভাবে বালাইনাশক উৎপাদন করলেও আমদানি করছে ৯৫০টি প্রতিষ্ঠান। মূলত নিবন্ধন জটিলতা ও কাঁচামাল আমদানিতে একক উৎস নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বালাইনাশক এখানকার আমদানিকারকদের কাছে বিক্রির সুযোগ নেই। তাই এখানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বালাইনাশক বিক্রির বিধিমালা করা প্রয়োজন।’প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, ‘সিন্ডিকেটতন্ত্র থেকে মুক্তি পাওয়া আমাদের সংস্কারের অন্যতম লক্ষ্য। যেখানে যাচ্ছি শুধু সিন্ডিকেটের কথা শোনা যায়। এখানে একটি মার্কেট ইকোনমিক ফোর্স থাকার কথা ছিল।