
গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার কাকফো পুরাতনপাড়া গ্রামের সাদেক আলীর ছেলে মেহেদী হাসান (১৯), উপর হাটদোল গ্রামের বিচ্চাদ আলীর ছেলে মেহেদী হাসান রনি, একই গ্রামের মান্নান আলীর ছেলে রাজিব হোসেন (২২) ও সিংড়ার আকপাড়া-শেরকোল এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে গোলাম মোস্তফা (২০)।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, মোবাইলের মাধ্যমে ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয় আসামি মেহেদী হাসানের। পরে গত এক মাস আগে তরুণীকে দেখা করার কথা বলে ঘটনার রাতে তরুণীর বাড়িতে যায় মেহেদী। এ সময় ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে মেহেদী। পরে ওই কক্ষে প্রবেশ করে মেহেদীর তিন বন্ধু। তাদের কাছে মেহেদীর সঙ্গে তরুণীর শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও আছে বলে মেহেদীর উপস্থিতিতেই ওই তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বাকি আসামিরা। পরে ভুক্তভোগীকে মুখ বন্ধ রাখতে বিয়ে করার আশ্বাস দেয় মেহেদী। কিন্তু ঘটনার পর তরুণীর সঙ্গে আর যোগাযোগ রাখেনি তিনি। বাধ্য হয়ে ঘটনাটি পরিবারকে জানালে মঙ্গলবার থানায় এসে গ্রেফতার চারজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর মা থানায় অভিযোগ করে। এরপর পুলিশ চারজন আসামিকেই গ্রেফতার করে।
ওসি আরও জানান, গ্রেফতার চারজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে। আর তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।