
বাগেরহাটের কচুয়ায় গ্রেপ্তার আসামিকে ছাড়িয়ে নিতে বিএনপি নেতা-কর্মীদের হামলায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাতে উপজেলার গজালিয়া ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। উপজেলার গজালিয়া ব্রিজ পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে বিএনপির ১৭ নেতা-কর্মীকে আটক করেছে ।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- মো. রিয়াজ শেখ (২৫), মো. আমিনুল হক (২৮), মো. হেমায়েত মোল্লা (৫২), মো. সাব্বির শেখ (১৯), মো. সোহাগ শেখ (২৩), মো. রবিউল ইসলাম (২৭), আমিরাত হোসেন লিজন (২০), মো. সাকিব শেখ (১৮), মো. ইবাদুল সিকদার (২৬), মো. আবুল খায়ের সুইট (৪১), মো. ওমর ফারুক (৩৯), মো. শাওন আকন (২১), মো. জনি শেখ (১৮), মো. রাফি সিকদার (২১), মো. ইয়ার হোসেন (৩২) ও মো. রিয়াজুল ইসলাম (২৯)। তারা সবাই বিএনপির নেতা-কর্মী।পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আহমেদ কবিরের নেতৃত্বে গজালিয়া ব্রিজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চাঁদাবাজি ও মারধর মামলার আসামি এখলাছ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় স্থানীয় গজালিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শিকদার জাকির হোসেন টুটুল ও সাধারণ সম্পাদক শেখ দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির নেতা-কর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন। বিএনপির নেতা-কর্মীদের হামলায় এসআই আহমেদ কবির, এএসআই রাকিব মোল্লা এবং কনস্টেবল মো. জাহিদুর রহমান ও রঞ্জন বিশ্বাস আহত হন। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে, ১৬ জনকে আটক করে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলাপূর্বক আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে। এখলাছ শেখ গজালিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক।বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম আহসান বলেন, এজাহারনামীয় আসামি এখলাছ শেখকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ওই আসামিকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য বিএনপির নেতা-কর্মীরা হামলা করে। এতে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পরে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পরে আদালতে হাজির করা হবে।