প্রিন্ট এর তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬
সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় করের নতুন হিসাব শুরু
সংবাদ দিগন্ত ||
সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে করের নিয়মে বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। চলতি অর্থবছর থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে কেটে রাখা ১০ শতাংশ উৎসে কর আর চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচিত হবে না। বরং এটি অগ্রিম কর হিসেবে গণ্য হবে। ফলে আয়কর রিটার্ন জমার পর অতিরিক্ত কর কেটে রাখা হলে সেই টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের মুনাফা করদাতার অন্যান্য আয়ের সঙ্গে যোগ হবে। এরপর তাঁর মোট আয় অনুযায়ী নির্ধারিত করহারে কর হিসাব করা হবে। সাধারণত টিআইএনধারীদের সঞ্চয়পত্রের মুনাফা থেকে ১০ শতাংশ এবং টিআইএন না থাকলে ১৫ শতাংশ উৎসে কর কেটে রাখা হয়। আগে এই করকে চূড়ান্ত কর হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ফলে একবার কর কেটে নেওয়ার পর অতিরিক্ত টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ ছিল না। আরও পড়ুন,সরবরাহব্যবস্থা সচল ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বাননতুন নিয়মে সীমিত আয়ের বিনিয়োগকারীরা সুবিধা পেতে পারেন। যেমন, কোনো ব্যক্তির সঞ্চয়পত্রের মুনাফা এক লাখ টাকা এবং অন্যান্য আয় সাড়ে তিন লাখ টাকা হলে মোট আয় দাঁড়াবে সাড়ে চার লাখ টাকা। নির্ধারিত করমুক্ত সীমা ও করহারের ভিত্তিতে তাঁর প্রকৃত করের পরিমাণ পাঁচ হাজার টাকা হলে আগে কেটে রাখা ১০ হাজার টাকা থেকে অতিরিক্ত পাঁচ হাজার টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অন্যদিকে যাঁদের প্রকৃত করহার ১০ শতাংশের বেশি, তাঁদের করের পরিমাণ বাড়তে পারে। যেমন, সঞ্চয়পত্রের মুনাফাসহ মোট আয় অনুযায়ী কারও কর ৬০ হাজার টাকা হলে এবং আগে ৫০ হাজার টাকা উৎসে কর কাটা হয়ে থাকলে তাঁকে বাকি ১০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হবে। তবে অতিরিক্ত কর ফেরত পেতে অবশ্যই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। রিটার্নে ব্যাংক হিসাবের তথ্য এবং উৎসে কর কাটার প্রমাণপত্র দিতে হবে। কর কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই শেষে ১২০ দিনের মধ্যে প্রাপ্য অর্থ ব্যাংক হিসাবে ফেরত দেওয়ার কথা রয়েছে। নতুন এই নিয়মে সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের আয় ও করের হিসাব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত