প্রিন্ট এর তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
ইরান সীমান্তে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানের মহড়া
সংবাদ দিগন্ত ||
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে কয়েক ডজন ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ইরান সীমান্তের কাছাকাছি গিয়ে আবার ফিরে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরাইলের উদ্দেশ্য ছিল সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর জন্য ইরানকে প্ররোচিত করা বা উসকানি দেওয়া। গত বুধবার (২১ অক্টোবর) মার্কিন সূত্রের বরাতে ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-১২ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার দিবাগত রাত থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত পরিচালিত এই অভিযানে যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি ইসরাইলি বিমানবাহিনীর জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানও অংশ নেয়। বিমানগুলো সিরিয়া ও ইরাকের আকাশসীমা অতিক্রম করে ইরান সীমান্তের অতি নিকটে পৌঁছায়। মার্কিন সূত্রে জানা যায়, ইসরাইল আশা করেছিল যে ইরানি বাহিনী এদের ওপর হামলা চালাবে, যা পরবর্তীতে ইরানের অভ্যন্তরে পূর্ণাঙ্গ আক্রমণ চালানোর এক বড় অজুহাত তৈরি করত।আরোও পড়ুন,আকাশেই ধ্বংস করল সৌদি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মার্কিন ও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ এটিকে ‘প্রতিরোধমূলক মহড়া’ হিসেবে অভিহিত করলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সামরিক ভুল হিসাব-নিকাশের কারণে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। অভিযানটি পরিচালনার আগে ওয়াশিংটনকেও বিষয়টি অবহিত করেছিল ইসরাইল। এই অভিযানের সময় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ইসরাইল সফর করছিলেন এবং ওভদা বিমান ঘাঁটিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন।এদিকে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, চলতি মাসের ১০ অক্টোবর ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে একাধিক দিনব্যাপী বড় ধরণের সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। তবে ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে অনীহা প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যার ফলে ওই হামলা বাতিল করতে বাধ্য হয় ইসরাইল। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকেই পুরো অঞ্চল জুড়ে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত