প্রিন্ট এর তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.২১ বিলিয়ন ডলার
সংবাদ দিগন্ত ||
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আরও প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের মোট বা গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ২১৩ দশমিক ২৪ মিলিয়ন ডলারে। ডলারের হিসাবে যার পরিমাণ ৩৬ দশমিক ২১ বিলিয়ন।রোববার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি ব্যালান্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল-৬ (বিপিএম-৬) অনুযায়ী, দেশের রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৪০৩ দশমিক ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।এর আগে গত ৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৬ হাজার ১৫৮ দশমিক ৫৬ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন ডলার।আরও পড়ুন, দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি, ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকাকেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৮ অক্টোবরের তুলনায় ১১ অক্টোবর দেশের মোট রিজার্ভ বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভ বেড়েছে ৫৪ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ডলার।উল্লেখ্য, মোট রিজার্ভ ও বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের হিসাব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ করে করা হয়। আর নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণের ক্ষেত্রে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দেওয়া হয়।বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের আমদানি ব্যয় মেটানো, আন্তর্জাতিক লেনদেনের দায় পরিশোধ এবং বৈদেশিক খাতে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে রিজার্ভের পরিমাণের পাশাপাশি আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক দায় এবং বৈদেশিক মুদ্রার আয়-ব্যয়ের ভারসাম্যও অর্থনীতির সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত