প্রিন্ট এর তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৮ মাস পর নিঝুম হত্যা মামলার রহস্য ভেদ, প্রেমিক গ্রেপ্তার
আনিসুর রহমান রিপন ||
ঝিনাইদহের মহেশপুর থেকে নিখোঁজ হওয়ার ১৮ মাস পর কিশোরী নিঝুম খাতুনের (১৭) অপহরণ ওহত্যাকান্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে জেলা সাইবার ইনভেস্টিগেশন সেল। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগেপ্রেমিক মাশরিকুল রহমান জিমকে (২৩) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিদিয়েছেন।পুলিশ জানায়, গত বছর ১৩ মার্চ মহেশপুরের ফতেপুর গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন নিঝুম। এ ঘটনায় তার মাতাসলিমা খাতুন প্রথমে জিডি ও পরে অপহরণ মামলা করেন। দীর্ঘদিন সন্ধান না মেলায় তদন্তে নামে সাইবারইনভেস্টিগেশন সেল। তদন্তের একপর্যায়ে সন্দেহভাজন হিসেবে জিমকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।আড়ও পড়ুন,গংগাচড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যবস্থাপনা কমিটির নব নিবাচিত সভাপতি সাজু মিয়া স্বপনজিজ্ঞাসাবাদে জিম জানান, বেড়াতে নেওয়ার কথা বলে তিনি নিঝুমকে পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশী রেলস্টেশনএলাকায় নিয়ে যান। সেখানে বিয়ের জন্য চাপ দিলে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে জিম তাকে চড়মারলে নিঝুম জ্ঞান হারান। পরে তাকে টেনে হিঁচড়ে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যাকরেন জিম। নিঝুমের মৃত্যু নিশ্চিত করে মরদেহ ফেলে রেখে ট্রেনে চড়ে পালিয়ে যান তিনি। জিমের দেওয়াতথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত দল ঈশ্বরদী থানা এলাকায় অভিযান চালায়।জানা যায়, গত বছরের ১৭ মার্চ সেখান থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় তরুণীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছিলঈশ্বরদী থানা পুলিশ। পরিচয় না পাওয়ায় ময়না তদন্ত শেষে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সহায়তায় মরদেহটি দাফনকরা হয়। পরে সিআইডির আর্কাইভে থাকা লাশের ছবির পরিহিত পোশাক দেখে জিম মরদেহটি নিঝুমের বলেশনাক্ত করেন।২২ সেপ্টেম্বর (বুধবার) জিম আদালতে হত্যাকান্ডের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিদিয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তধীন রয়েছে।আনিসুর রহমান রিপনমহেশপুর,ঝিনাইদহ
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)
কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত